
কবির সাজা
আমাদের পাড়ার নিমাই মল্লিক। এক্কেবারে কবিতা পাগল লোক একটা। সারাটা দিন খালি কবিতা নিয়েই থাকেন। অন্যের কবিতা যে একেবারে পড়েন না তা নয়

আমাদের পাড়ার নিমাই মল্লিক। এক্কেবারে কবিতা পাগল লোক একটা। সারাটা দিন খালি কবিতা নিয়েই থাকেন। অন্যের কবিতা যে একেবারে পড়েন না তা নয়

পুরুত মশাইয়ের ভীষণ তাড়া। এমন সময় যজমানেরা তাকে চটিয়ে দিয়েছে। এত বড় একটা শ্রাদ্ধের পুজো, সেখানে কিনা পানই নেই। পইপই করে ফর্দ লেখার সময় ঠাকুর কেষ্টর ব্যাটদের কানে কামড়ে বলে দিয়েছিল এক গোছা পান না হলে চলবে না। বেটারা সে কথা কানেই দেয়নি।

স্বপ্ন জিনিসটা খুব বাজে ! আপনি ঘুমুচ্ছেন। অসহায় অবস্থা। কিছু করার ক্ষমতা নেই, এমনি সময় এক বিকটাকৃতি মুখ এসে দেখা

শখ চেপেছিল ঘাড়ে, ভেবে রাগে আঙ্গুল কামড়ে ফেলেন অঘোর বাবু। বেশ চলছিল দিন। সকালে চা, বিকালে পাপড়ের সাথে আবার চা। দুপুরে ভাত, রাত্রে রুটি।

চাকরি করার মজাটা তখনই পরিপূর্ণ উপলব্ধি করা যায় যখন একটা পৈত্রিক সুন্দর বাড়ি থাকে।
আর তা না হলে পুরো উপার্জন এবং আরো কিছু বাড়তি লোন করতে হয় বাড়ি বানাতে।

নিতাই মন্ডলের বিয়েটা আজ বছর পাঁচেক হয়ে গেল। জামাইষষ্ঠী বলে একটা ভালো-মন্দ গিলবার দিন আছে, এ কথা মনে রাখার থেকে ভুলে যাওয়াটা তার আত্মার জন্য বেশি শান্তির।

এ আমার ছেলেবেলার গল্প।
দুই দিস্তা খাতা পেপার কভার দিয়ে সেলাই করে ওই এক খাতাতেই জীবনবিজ্ঞান, ভৌতবিজ্ঞান, বাংলা, ইতিহাস, অঙ্ক—সবই চালিয়ে নিতাম।

ঘটনার শুরু শনিবার সকালে।আমাদের পাড়ার এক উঠতি কবি ভাই সাত সকালে এক কবিতা পাঠাল। কোনও এক উঠতি পত্রিকার কবি এই

গোপালবাবু গোলগাল লোক। নিরীহ এবং ভদ্রলোক বলা যায়।সাথে লেখকও, ছোটগল্প লেখেন। এহেন গোপালবাবু একটু বেকায়দায় পড়ে গেছেন। স্বেচ্ছায় কখনই তিনি