
জাদুকরের মৃত্যু
আমার ছিল বাউল হওয়ার শখ,
আমার ছিল জাদু শেখার কথা,
আমার ছিল ঘুমিয়ে পড়ার মন,
নীল আকাশে জড়িয়ে নকশী কাঁথা

আমার ছিল বাউল হওয়ার শখ,
আমার ছিল জাদু শেখার কথা,
আমার ছিল ঘুমিয়ে পড়ার মন,
নীল আকাশে জড়িয়ে নকশী কাঁথা

হেমন্তের শস্যহীন ন্যাড়া মাঠ অপেক্ষায় থাকবে | বৃষ্টি জলে ধুয়ে কবিতার বীজ বপন করবে নবীন কবির দল | মুক্তক ছন্দে ভরে উঠবে খামার |

অবসন্ন বেলায় ঈশ্বরীর বাগানে, গা এলিয়ে পড়ে ছিল কামরাঙা রোদ, পোড়ো বাড়িটার উঠোন থেকে, উঠে এসে উড়নচণ্ডী হাওয়া দূরান্বয়ী ছায়া দিয়ে

আমি বসে আছি নিস্তরঙ্গ কলরবকূলে, মালতীলতায় এবার ফুল আসেনি, হাঁড়িতে মা ভবানী, উনুনে পুড়ছে অস্তিত্বের ব্যাকুলতা

নির্জন পথটায় যানবাহন ছিল না, ছিল না লোকচলাচল ছিল না কোনো ল্যামপোস্ট, তবু দাঁড়িয়ে ছিল রক্তচক্ষুর ট্রাফিক সিগন্যাল।

কখনো রামধনু ভোর হয়ে, নামে যদি স্বপ্নের হাত ছুঁয়ে, হয়তো তখন কোনো মৃত ডালে, কোয়েলের সুরে সুরে তান তোলে, তবুও মহেঞ্জোদারো বুক ঘিরে

জানালার কাছে টেবিলে ছড়ানো আছে, বইপত্তর কাগজ কলম আর অসমাপ্ত পাণ্ডুলিপি। অমল বিষাদে মনে মনে পাহাড় দেখি, আমার সাধের শব্দমালা সাধনার অন্বেষণে মৌমাছিদের ঝাঁক পেরিয়ে পাহাড়ের উপত্যকায় গেছে এখনো ফেরেনি।

যার সাথে ঘর বেঁধেছি আমি, মেয়েটি ঝগড়ুটে, আধখানা চাঁদ উধাও হলে, হলদে পলাশ ফোটে | যার সাথে ঘর বেঁধেছি আমি, মেয়েটি ঝগড়ুটে

দেখার জন্য চোখ মেলেছিচোখ মেলতেই কিছু আর দেখা গেল না। আয়নায় মুখ দেখার কালে আয়নাটা অন্যের মুখে মুখ দেখবে বলে, দেয়াল থেকে নেমে সোজা চলে গেল গল্পের আসরে।

চারদিকে বড্ড কোলাহল আমাদের সীমানাটা বড্ড কাপুরুষ এমন একটা সীমানায় আমরা দাঁড়িয়ে যেখানে কথা বলা প্রায় নিষিদ্ধ।