
সেই নামটা
সেই নামটা—–যাকে কেন্দ্র করে আমার ভাবনার কম্পাস আজও কল্পনার বৃত্ত আঁকে, প্রতিদিনের সাদা পাতায়। আমার অবসরের বারান্দাটা প্রশস্ত হয়

সেই নামটা—–যাকে কেন্দ্র করে আমার ভাবনার কম্পাস আজও কল্পনার বৃত্ত আঁকে, প্রতিদিনের সাদা পাতায়। আমার অবসরের বারান্দাটা প্রশস্ত হয়

সেভাবে কথা হয় নাসূর্য উঠে নরম রোদের প্রলেপ গড়িয়ে পড়ে উঠোনে। আমি ছবি আঁকি প্রলম্বিত ছায়ার উপর ফুল ফোটার ছবি

স্মৃতির পাতায় আজও খোঁচা দেয় অতীতের আঁকড়ে থাকার মুহূর্তগুলো। ভোরে যে পাখির ডাকে ঘুম ভেঙে যেত এখন ডাকটি দূর আকাশে হারিয়ে গেছে।

জলাধারের সাথে কোনো তুলনা হয়না । তার সাথে আমার বহুকালের বন্ধুত্ব । আমার দুই দিকে আছে জন্ম জন্মান্তরের প্রেমসী । এ সম্পর্ক নাড়ী নক্ষত্রের সাথে খেল বন্ধন রয়েছে ।

একদিন হঠাৎ করে কালো মেঘ এল আকাশে চারিদিকে থমথমে পরিস্থিতি । তারি মাঝে মেঘের গুরুগম্ভীর ডাকে ভয়ে কম্পিত সারা শরীর বিদ্যুতের ঝলকানিতে চোখ বন্ধ ।

যদি যেতে না দিই রাখবো কোথায়! ঘুণপোকা বাসা বাঁধে মাথায়,মাথা গড়িয়ে যায় মাটিতে ছুটে যায় শহরতলীতে নর্দমার গন্ধ শুঁকে হারিয়ে যায় পলাশ বনে।

দাঁড়াও না ভাই একটু আমার কাছে
একটু কথা তোমায় খুলে কই —
সকালবেলা উঠে গিয়ে দেখি
হারিয়ে গেছে আমার ভাঙ্গা মই।

দাঁড়াও না ভাই একটু আমার কাছে
একটু কথা তোমায় খুলে কই —
সকালবেলা উঠে গিয়ে দেখি
হারিয়ে গেছে আমার ভাঙ্গা মই।

কয়েকজন বন্ধু
শান বাঁধানো বটের ছায়ায়
চা পানের সাথে কিছু ধোঁয়া
পকেট গড়ের মাঠ
সবই ধারবাকি — ভবিষ্যৎ চেয়ে

বাবার ট্যাক থেকে টুপ-টাপ খসে পড়েসংসারের নানান খুচরো।আমার গণিত জানা মা তা কুড়িয়ে রাখেন আঁচলের খুটে।আমি ভাবি সংসার বুঝি কাব্যকথা।মা