
সেই নামটা ২
যার কথা অলস অবসরে মনে পড়লেই, কবিতার চরণগুলো আজও, সেজে ওঠে নিজের দায়িত্বে, একটা কাহিনিকে আঁকড়ে, শব্দগুলো ছন্দের বেড়ি পরেই
সেই নামটা—–
যাকে কেন্দ্র করে আমার ভাবনার কম্পাস
আজও কল্পনার বৃত্ত আঁকে,
প্রতিদিনের সাদা পাতায়।
আমার অবসরের বারান্দাটা প্রশস্ত হয়,
চিত্র-বিচিত্র করে জ্যা, চাপ, ব্যাসার্দ্ধের
জ্যামিতিক আলপনা।
সে আমার পৃথিবীর মূল মধ্যরেখা,
প্রাগৈতিহাসিক শিলালিপি।
তার অভিকর্ষীয় বল নস্টালজিক করে,
আমার কলম আলো ছড়ায় প্রতিদিন সূর্য হয়ে।
সেই রোমান্টিক চোখের মিস্টিক দৃষ্টি–
এখনো বৃষ্টি নামায় আমার দ্বাপরের বাগিচায়।
তাই আজও বুকের বেলাভূমিতে ঢেউ উঠলে
তার স্মৃতির বালি চিকচিক করে,
আর ঝিনুকগুলো মুক্তো গড়ে–
উপন্যাস হতে চায়….
আমার লোহিত সাগরের অন্ধকারে,
সেই নামটা—–

যার কথা অলস অবসরে মনে পড়লেই, কবিতার চরণগুলো আজও, সেজে ওঠে নিজের দায়িত্বে, একটা কাহিনিকে আঁকড়ে, শব্দগুলো ছন্দের বেড়ি পরেই

সেই নামটা—–যাকে কেন্দ্র করে আমার ভাবনার কম্পাস আজও কল্পনার বৃত্ত আঁকে, প্রতিদিনের সাদা পাতায়। আমার অবসরের বারান্দাটা প্রশস্ত হয়

আমার অন্ধকার শহরে—-যখনই স্ট্রিট লাইট হয়ে জ্বলো,তখন গোলাপবাগ হয়ে যাই…শীত