
সেই নামটা ২
যার কথা অলস অবসরে মনে পড়লেই, কবিতার চরণগুলো আজও, সেজে ওঠে নিজের দায়িত্বে, একটা কাহিনিকে আঁকড়ে, শব্দগুলো ছন্দের বেড়ি পরেই

যার কথা অলস অবসরে মনে পড়লেই, কবিতার চরণগুলো আজও, সেজে ওঠে নিজের দায়িত্বে, একটা কাহিনিকে আঁকড়ে, শব্দগুলো ছন্দের বেড়ি পরেই

সেই নামটা—–যাকে কেন্দ্র করে আমার ভাবনার কম্পাস আজও কল্পনার বৃত্ত আঁকে, প্রতিদিনের সাদা পাতায়। আমার অবসরের বারান্দাটা প্রশস্ত হয়

আমার অন্ধকার শহরে—-যখনই স্ট্রিট লাইট হয়ে জ্বলো,তখন গোলাপবাগ হয়ে যাই…শীত সরে গিয়ে বসন্ত আসে,মরুভুমি সেজে ওঠেআবিরের রঙে…পুষ্পবৃষ্টি হয় কোথাও কোথাও,কলমও তখন কবি হতে চায়।। Facebook

মনে মনে আমি কতবার গেছি,ছুঁয়েছি তোমার বুক,জানাতে তোমায় পারিনি বলে গোএকটুও পাইনি সুখ। প্রতিটি অঙ্গ জানে যে সেকথাজানোনা হয়তো তুমিশিকড় হয়েছি খুঁজেছি গভীরেএকটু নরম ভূমি।

বহুদিন ধরেই অন্ধকারের চাষ চলছে দিগন্ত জোড়া মাঠে…এলোমেলো ভাবনারা তাই আর বন্দী হতে চায়না–অক্ষরের নিরাপত্তায়।আঙুলের ফাঁক ধরতে চায়নিঅশৌচ কলম। কালো কালিকে অস্পৃশ্য ভেবেশব্দরা নিঃশব্দে সরে

ওরা—-কল-কারখানা মাঠে-ময়দানেখেটেছে সস্তা দামে,সভ্যতা তাই হয়েছে সভ্যওদের রক্ত-ঘামে। ওরা—-অধিকার খুঁজে পায় না আজওশোষনের যাঁতাকলে,স্তব্ধ হয়েছে ওদের মিছিল লাঠি আর পিস্তলে। ওরা—–বাঁচার জন্য মরিয়া হয়েছেশিখে গেছে

কবিতা এখন প্রেমিকা আমারপ্রেমিক তাহার প্রেমে,গভীরে তাহার রোজ ডুবে ডুবেহারিয়ে যাচ্ছি ক্রমে। রাতের আঁধারে রজনীগন্ধাদিনে সে সূর্যমুখী,সারা দিনমান লীলা খেলা করেআছি যে দিব্যি সুখী।। Facebook

আমি কবিতা লিখতে বসি—ঘুমোতে যাবার আগে, ঘুম না আসার পরে,যেদিন বৃষ্টি পড়ে আর–যেদিন পড়ে না। কিন্তু, কী লিখবো? এই প্রশ্ন কলমকে ধাক্কাদেয়,যা দেখছি……তার সব লেখা

চুপ থাকতে থাকতে থাকতে….একসময় বোবা হয়ে যাবে,বোবা হতে হতে এক সময় গাছ হয়ে যাবে, তখন–তোমার মূলে ওরা কুঠার হানবে। চুপ থাকতে থাকতে থাকতে….একসময় অন্ধ হয়ে

তোর দাদা ডাকে ছলাৎ করে ওঠেআমার নীল সমুদ্রের গভীরেঝিনুকের পেটের মুক্তোগুলো।শুভ্রতার দ্যুতি দিয়ে ঘিরে রাখতে চায়জন্মান্তর-স্নেহের বেড়াজালে। তোর দাদা ডাকে প্রদীপ জ্বলে ওঠেভ্রাতৃদ্বিতীয়ার রেকাবিতে,ধান,দূর্বা চন্দন,