সেই নামটা————-
যার কথা অলস অবসরে মনে পড়লেই
কবিতার চরণগুলো আজও
সেজে ওঠে নিজের দায়িত্বে,
একটা কাহিনিকে আঁকড়ে
শব্দগুলো ছন্দের বেড়ি পরেই
হেঁটে চলে চরণের পথ ধরে…
এক একটা গীতিকবিতা গড়ে তোলে।
সেই নামটা———-
যে আমার পৃথিবীটা জুড়ে আকাশ হয়ে আছে
তাই আজও নিভৃতে তার তারা গুনে–
মনের অন্ধকার তাড়াই।
বৃষ্টি হলে ভিজতে ইচ্ছে করে ভীষন
যদি তার ছোঁয়া পাই সেই আশায়,
তার স্মৃতি নোনাজল হয়ে রোজ ভিজিয়ে দেয়
আমার রাতজাগা বালিশকে।
সেই নামটা——–
যাকে মনে পড়লেই হাজার ভিড়ের মাঝে
নিজেকে বড় একা লাগে,
তাকে নদী ভেবে মোহনার দিকে চেয়ে থাকি
সাগর হয়ে।
তাই হয়তো সে এখন কবিতার ছদ্মবেশে
মাঝে মাঝে ছুঁয়ে যায় আমার গভীর আঁধারকে,
তখন ইচ্ছে করে ঢেউ হয়ে বারবার ছুটে যাই
তার অভিমানের বেলাভূমিতে আর
পুরাতন সুরে নতুন করে ডাকি,
সেই নামটা————-

কবিতা লেখার পর বেশ কিছুক্ষণ
থরের মতো নিথর হয়ে যায়,
ভাবনার ইথার তরঙ্গ।
নিশ্চল হয়ে যায় পৃথিবীর আবর্তন গতি….
মনেহয় আমার নিউক্লিয়াস থেকে
ছিটকে গেছে সব ইলেক্ট্রন।