ধর্মেই মৃত্যু

প্রশ্ন একটাই আপনি কোন ধর্মের? পৃথিবীতে এটাই কি পরিচয়? যদি তাই হয়, তাহলে ছিঁড়ে ফেলো সবধর্মের পবিত্র গ্রন্থ খানি!
চেতনার অপমৃত্যু

সূর্য ওঠার আগেই চেতনারা লাশ হয়ে পড়ে থাকে নির্জন নদীর ধারে, বে-আব্রু মনকে ঘিরে ধরে হাজার বছরের ধূসর কুয়াশায়
ভয়

বড়াই শুনে মনে তো হয় উল্টে দেবে সরকারই,
শুনতে পেলুম সেই তোমারই ভূতের নাকি ডর ভারি! লজ্জা কিসের? আচ্ছা রোসো,
ধৈর্য ধরে খানিক বসো,
অবিশ্বাস

আরে আরে, রাজেন না কি? কদ্দিন পর দেখা, এত রাত্রে বনের পথে যাচ্ছ একা একা? একসঙ্গেই যাওয়া যাবে, বাড়ি ফিরছ না কি?
খতরনাক খেল

খেলার কথা শুনবি যদি, বলছি যা দে মন তাতে, দেখেছিলুম খেল একখান হ্যালোইনের সন্ধ্যাতে।সেদিন রাতে ভূতুম পাড়ার “মামদো ইলেভেন্স” দলে
মন পাখি

কখনো তোমায় খুঁজতে হয়না হাজারের ভিড়ে, হারিয়ে যাবেনা জানি। অনেক আশায় সুর বেঁধেছি, মাঝে মাঝে গুনগুন করো তা শুনি ।
বন্ধু একটা নাটকের নাম

তোমার নাম প্রতীক্ষা হোক ,নকল খাচার কল্পনার বেড়া ভাঙ্গুক দমকা হাওয়া । মিথ্যা হোক আমার বিশ্বাস আর বুকে গাঁথা আদুরে আল্পিনের ব্যাথা ।
সম্পাদকীয়: ভলতেয়ার—চিন্তার স্বাধীনতার এক অনন্ত বাতিঘর

আজকের এই সময়ে, যখন প্রশ্ন করা বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে, ভলতেয়ার আমাদের স্মরণ করিয়ে দেন—“স্বাধীন চিন্তাই সবচেয়ে বড় বিপ্লব।”
সেই নামটা

সেই নামটা—–যাকে কেন্দ্র করে আমার ভাবনার কম্পাস আজও কল্পনার বৃত্ত আঁকে, প্রতিদিনের সাদা পাতায়। আমার অবসরের বারান্দাটা প্রশস্ত হয়
ফিরে আসবে এটাই সত্য

সেভাবে কথা হয় নাসূর্য উঠে নরম রোদের প্রলেপ গড়িয়ে পড়ে উঠোনে। আমি ছবি আঁকি প্রলম্বিত ছায়ার উপর ফুল ফোটার ছবি