সহজপাঠ পাঠচক্র শুধুই একটা পাঠচক্র নয়—এটা একটা চলমান গল্প, যেখানে তুমি আমন্ত্রণপ্রাপ্ত চরিত্র।

বড়াই শুনে মনে তো হয় উল্টে দেবে সরকারই,
শুনতে পেলুম সেই তোমারই ভূতের নাকি ডর ভারি!
লজ্জা কিসের? আচ্ছা রোসো,
ধৈর্য ধরে খানিক বসো,
বাতলে দিচ্ছি ভূত ভাগানোর হরেক উপায় দরকারি!

জোছনা রাতে পড়লে পরে মামদো ভূতের খপ্পরে
ভয় না পেয়ে মুণ্ডুটা তার টানবে ধরে খপ করে।
মুণ্ডু তাহার বেজায় ঢিলে
আসবে খুলে টান টা দিলে
মুণ্ডু ছাড়া শরীরটা তার পড়বে সটান ধপ করে!

রাতবিরেতে যাওয়ার সময় ধান বা গমের ক্ষেত দিয়ে
পিছনে কেউ করলে ধাওয়া জানবে মাঠের পেত্নী এ।
লিকলিকে বেত সাড়ে তিন হাত
পেত্নী জেনো উহাতেই কাত,
পেত্নী ভাগে করলে তাড়া তেমনি একটা বেত নিয়ে।

বাঁশবাগানের ব্রহ্মদৈত্যি একটু রাগেই যান ক্ষেপে,
পড়লে তেনার খপ্পরেতে উঠতে পারে প্রাণ কেঁপে,
ভয় পেওনা, দাঁড়াও ঘুরে,
গান ধর ফের কণ্ঠ পুরে,
গান-টান তাঁর নয় কো পসন্দ্, যান পালিয়ে কান চেপে।

বলতে পারি আরও অনেক, এসব কথা বলেও সুখ,
ভূতের আবার ভয়টা কিসের? সদাই থাকো হাস্যমুখ।
ঐ যাঃ, গেল বিজলি বাতি;
বাপ রে, এ কী আঁধার রাতি!
রাম রাম রাম, অন্ধকারে কাঁপছে কেন আমার বুক?

Facebook
Twitter
Email
Print

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ওনার আরো কিছু লেখা

ছড়া
সৌম্যদীপ সৎপতি

অবিশ্বাস

আরে আরে, রাজেন না কি? কদ্দিন পর দেখা, এত রাত্রে বনের পথে যাচ্ছ একা একা? একসঙ্গেই যাওয়া যাবে, বাড়ি ফিরছ না কি?

সম্পূর্ণ পড়ুন »
ছড়া
সৌম্যদীপ সৎপতি

খতরনাক খেল

খেলার কথা শুনবি যদি, বলছি যা দে মন তাতে, দেখেছিলুম খেল একখান হ্যালোইনের সন্ধ্যাতে।সেদিন রাতে ভূতুম পাড়ার “মামদো ইলেভেন্স” দলে

সম্পূর্ণ পড়ুন »