
স্মৃতিরা নাড়া দেয়
বদলে গেছে সময় বদলায়নি হরবেলার বার্তা বরণ, বদলে গেছে মেঘ বৃষ্টির আসা যাওয়া, বদলায়নি চাঁদের মিষ্টি কিরণ।
জলাধারের সাথে কোনো তুলনা হয়না ।
তার সাথে আমার বহুকালের বন্ধুত্ব ।
আমার দুই দিকে আছে জন্ম জন্মান্তরের প্রেমসী ।
এ সম্পর্ক নাড়ী নক্ষত্রের সাথে খেল বন্ধন রয়েছে ।
কাউকে ধরে রাখতেও পারিনি আবার ছাড়তেও পারিনি ।
দুই জনই অপরূপ সাজের সুন্দরী নারী ।
একজন ক্ষুধা নিবারণে ব্যস্ত,
অপরজন নিত্য সময়ের সঙ্গিনী ।
তারা আমার শৈশবের প্রেম
অপরদিকে কৈশোরের ভালোবাসা ।
দুই জনেই আষ্টেপৃষ্টে বেঁধে রেখেছে বক্ষ মাঝে ।
যৌবনের চাওয়া পাওয়া মিটিয়ে দেয় আঁচল ভরে ।
ভরা বর্ষায় যৌবন উথাল পাথাল করে জোয়ারে ।
সাদা ফেনায় কত প্রেমের পত্র ভাসভাসি করে ।
আমি কুড়িয়ে রাখি এক একটা করে মনের চোরা কুঠিতে ।
একজন স্বপ্ন দেখায় রোজ,
অন্যজন দুহাত বাড়িয়ে ডাকে সারাক্ষণ ।
তাদের ভালোবাসায় মৃতরাও জীবিত হয়ে দাঁড়ায় ।
আমার দুচোখ ভরা স্বপ্ন গুলো দু কূল ছাপিয়ে যায় ।
তারা আমারে স্বপ্নে দেখা রাজকন্যা;
বেঁচে থাকার আমার ভরসা ।
আমিই দুই নারীর একমাত্র অন্তরঙ্গ সঙ্গিনী ।
দুজনের মনে বিন্দু মাত্র হিংসা নেই,
আমার ভরসা ।
আমারই দুই নারীর একমাত্র অন্তরঙ্গ সঙ্গিনী ।
দুজনের মনে বিন্দু মাত্র হিংসা নেই,
আমার ভরসা ।
আমার কাছে একবার ছুটে যাওয়া
তবুও তারা আগলে রেখেছে মনে প্রাণে আমায় ।
আমার দুই প্রান্তের দুই প্রেমিকা কংসাবতী আর শিলাবতী ।

বদলে গেছে সময় বদলায়নি হরবেলার বার্তা বরণ, বদলে গেছে মেঘ বৃষ্টির আসা যাওয়া, বদলায়নি চাঁদের মিষ্টি কিরণ।

প্রশ্ন একটাই আপনি কোন ধর্মের? পৃথিবীতে এটাই কি পরিচয়? যদি তাই হয়, তাহলে ছিঁড়ে ফেলো সবধর্মের পবিত্র গ্রন্থ খানি!

স্মৃতির পাতায় আজও খোঁচা দেয় অতীতের আঁকড়ে থাকার মুহূর্তগুলো। ভোরে যে পাখির ডাকে ঘুম ভেঙে যেত এখন ডাকটি দূর আকাশে হারিয়ে গেছে।

একদিন হঠাৎ করে কালো মেঘ এল আকাশে চারিদিকে থমথমে পরিস্থিতি । তারি মাঝে মেঘের গুরুগম্ভীর ডাকে ভয়ে কম্পিত সারা শরীর বিদ্যুতের ঝলকানিতে চোখ বন্ধ ।