বুঝতে পারার মতো কেউ নেই

স্মৃতির পাতায় আজও খোঁচা দেয় অতীতের আঁকড়ে থাকার মুহূর্তগুলো। ভোরে যে পাখির ডাকে ঘুম ভেঙে যেত এখন ডাকটি দূর আকাশে হারিয়ে গেছে।
দুই প্রেমিকা

জলাধারের সাথে কোনো তুলনা হয়না । তার সাথে আমার বহুকালের বন্ধুত্ব । আমার দুই দিকে আছে জন্ম জন্মান্তরের প্রেমসী । এ সম্পর্ক নাড়ী নক্ষত্রের সাথে খেল বন্ধন রয়েছে ।
আমি একা

একদিন হঠাৎ করে কালো মেঘ এল আকাশে চারিদিকে থমথমে পরিস্থিতি । তারি মাঝে মেঘের গুরুগম্ভীর ডাকে ভয়ে কম্পিত সারা শরীর বিদ্যুতের ঝলকানিতে চোখ বন্ধ ।
কে রইল বাকি?

যদি যেতে না দিই রাখবো কোথায়! ঘুণপোকা বাসা বাঁধে মাথায়,মাথা গড়িয়ে যায় মাটিতে ছুটে যায় শহরতলীতে নর্দমার গন্ধ শুঁকে হারিয়ে যায় পলাশ বনে।
যদি যেতে না দিই

দাঁড়াও না ভাই একটু আমার কাছে
একটু কথা তোমায় খুলে কই —
সকালবেলা উঠে গিয়ে দেখি
হারিয়ে গেছে আমার ভাঙ্গা মই।
মই

দাঁড়াও না ভাই একটু আমার কাছে
একটু কথা তোমায় খুলে কই —
সকালবেলা উঠে গিয়ে দেখি
হারিয়ে গেছে আমার ভাঙ্গা মই।
বটের ছায়া নিশ্চুপ

কয়েকজন বন্ধু
শান বাঁধানো বটের ছায়ায়
চা পানের সাথে কিছু ধোঁয়া
পকেট গড়ের মাঠ
সবই ধারবাকি — ভবিষ্যৎ চেয়ে
মা ও গণিতের সূত্রাবলী

বাবার ট্যাক থেকে টুপ-টাপ খসে পড়েসংসারের নানান খুচরো।আমার গণিত জানা মা তা কুড়িয়ে রাখেন আঁচলের খুটে।আমি ভাবি সংসার বুঝি কাব্যকথা।মা বলেন – সংসার একটি গণিত ।সংসার গণিত কিনা জানি না,তবে বাবা যখন গ্রামের রাস্তায় কুয়াশার ভেতরজীবনানন্দের মতো হেঁটে বেড়ান তখন যাবতীয় গণিতের সূত্রগুলি তার পিছনে পিছনে দৌড়ায়।আর পিথাগরাসের সূত্রেঅতিভূজের মতো দুঃখের বোঝা লম্বা হয় ।আমার […]
পান-কিষ্ণ

পুরুত মশাইয়ের ভীষণ তাড়া। এমন সময় যজমানেরা তাকে চটিয়ে দিয়েছে। এত বড় একটা শ্রাদ্ধের পুজো, সেখানে কিনা পানই নেই। পইপই করে ফর্দ লেখার সময় ঠাকুর কেষ্টর ব্যাটদের কানে কামড়ে বলে দিয়েছিল এক গোছা পান না হলে চলবে না। বেটারা সে কথা কানেই দেয়নি।
অন্তঃস্বর

কেউবা এখন শুনছে বসে নীরবতার গান,কেউ হারালো সমস্ত সুরমধুর কলতান। হাজার কথা খুনসুটি আরকতক অভিমান, মুহূর্তে সব হারিয়ে গেল বিষন্নতার ঘ্রাণ।