
বলতে শেখো
চুপ থাকতে থাকতে থাকতে….একসময় বোবা হয়ে যাবে,বোবা হতে হতে এক সময় গাছ হয়ে যাবে, তখন–তোমার মূলে ওরা কুঠার হানবে। চুপ

চুপ থাকতে থাকতে থাকতে….একসময় বোবা হয়ে যাবে,বোবা হতে হতে এক সময় গাছ হয়ে যাবে, তখন–তোমার মূলে ওরা কুঠার হানবে। চুপ

তোর দাদা ডাকে ছলাৎ করে ওঠেআমার নীল সমুদ্রের গভীরেঝিনুকের পেটের মুক্তোগুলো।শুভ্রতার দ্যুতি দিয়ে ঘিরে রাখতে চায়জন্মান্তর-স্নেহের বেড়াজালে। তোর দাদা ডাকে

কবিতা লেখার পর বেশ কিছুক্ষণ
থরের মতো নিথর হয়ে যায়,
ভাবনার ইথার তরঙ্গ।
নিশ্চল হয়ে যায় পৃথিবীর আবর্তন গতি….
মনেহয় আমার নিউক্লিয়াস থেকে
ছিটকে গেছে সব ইলেক্ট্রন।

গভীরে গভীরে ঢেউ তুলে তুলে আমি যে তোমায় খুঁজি,গভীরেই তুমি আছো যে আমার সেকথা আমি যে বুঝি। গভীরে গোপনে সদাই

সেদিন শীতকাল,
উত্তরে খোলা জানালা দিয়ে এসে
লাল কটা পাপড়ি
স্থান খুঁজে নেয় মনের অন্তঃপুরে ।
শীতল বাতাস, গরম চায়ে সকাল ।

সমাদ্দার বাবু চোখে চশমা পরেন,
আর পরেন এক রহস্যময় টুপি।
তিনি একদিন বিকেল বেলায়,
স্টেজের উপর থেকে
সারি সারি চেয়ারের উদ্দেশ্যে বলে দিলেন

অক্ষয় পুরুষের সাথে হাঁটা
পাশে যদি মৃত্যু র ঘর–
সেই হাত স্পর্শ বিধুর
এভাবে অমর হতে হয়—

অক্ষয় পুরুষের সাথে হাঁটা
পাশে যদি মৃত্যু র ঘর–
সেই হাত স্পর্শ বিধুর
এভাবে অমর হতে হয়—

তোমাকে নাক,মুখ, চোখের নির্মাণ দিলাম
স্মৃতি দিলাম, প্রীতি দিলাম –
ভরপুর গতি দিলাম।

তোমাকে নাক,মুখ, চোখের নির্মাণ দিলাম
স্মৃতি দিলাম, প্রীতি দিলাম –
ভরপুর গতি দিলাম।