
নদী, নারী আর কবিতা
তোমাকে নাক,মুখ, চোখের নির্মাণ দিলাম
স্মৃতি দিলাম, প্রীতি দিলাম –
ভরপুর গতি দিলাম।
তোমাকে নাক,মুখ, চোখের নির্মাণ দিলাম
স্মৃতি দিলাম, প্রীতি দিলাম –
ভরপুর গতি দিলাম।
তবু কেন তুমি চলো না?
অস্থির জলাশয়ে
প্রসূতি মশার প্রাণ
তোমার বসন্ত আমোদিত
কার্তিক – অঘ্রান!
কাকে তুমি ভালোবাসো?
বলো না, জানি না কোন
অনাদি অগস্ত্যের অভিশাপে
শরীর সরীসৃপ হয়ে গেছে মৃত
চৈতন্যের আকুল আতর্ণাদে
আজ তুমি একমাত্র জীবিত!
সূর্য অস্তমিত হলে
এক নক্ষত্র থেকে অপর নক্ষত্রের দিকে
পা ফেলে ফেলে
তুমি চলো।
যুদ্ধ বেঁধেছে
মিসাইল বোমারু বিমানের নীচে
আজ মানবতা বড় অসহায়।
নিবিড় নীরবতার মাঝখান থেকে
তুমি কথা বলো
দেশ, কাল, সময়, সংগ্রামের, প্রেমের
অনন্ত অনিশ্চয়তায়
মানুষের কথা বলো।
একবার তুমি কথা বলো।।

তোমাকে নাক,মুখ, চোখের নির্মাণ দিলাম
স্মৃতি দিলাম, প্রীতি দিলাম –
ভরপুর গতি দিলাম।

যোগ্য কিংবা অযোগ্যরা সবাই যখন পথের ধারে, চাল পাথরে মিশিয়ে দিতেই, কে আর কাকে চিনতে পারে

তোমাকে নাক,মুখ, চোখের নির্মাণ দিলাম
স্মৃতি দিলাম, প্রীতি দিলাম –
ভরপুর গতি দিলাম।