
কবিতা
জাদুকরের মৃত্যু
আমার ছিল বাউল হওয়ার শখ,
আমার ছিল জাদু শেখার কথা,
আমার ছিল ঘুমিয়ে পড়ার মন,
নীল আকাশে জড়িয়ে নকশী কাঁথা
অক্ষয় পুরুষের সাথে হাঁটা
পাশে যদি মৃত্যু র ঘর–
সেই হাত স্পর্শ বিধুর
এভাবে অমর হতে হয়—
বিশাল জানালা জুড়ে তাই
সাপ আসে, জাত চেনায়-
ভোগীর প্রার্থিত দুই চোখে
তীর্থের কাক হেঁটে যায়।
ক্ষমা করে স্থির আছি
তিন দিন হল
হৈচৈ স্থির চুপচাপ!
এতটুকু ভুল হলে ঠিক
কামড় বসাবে দুই দাগ।

আমার ছিল বাউল হওয়ার শখ,
আমার ছিল জাদু শেখার কথা,
আমার ছিল ঘুমিয়ে পড়ার মন,
নীল আকাশে জড়িয়ে নকশী কাঁথা

হেমন্তের শস্যহীন ন্যাড়া মাঠ অপেক্ষায় থাকবে | বৃষ্টি জলে ধুয়ে কবিতার বীজ বপন করবে নবীন কবির দল | মুক্তক ছন্দে ভরে উঠবে খামার |

অবসন্ন বেলায় ঈশ্বরীর বাগানে, গা এলিয়ে পড়ে ছিল কামরাঙা রোদ, পোড়ো বাড়িটার উঠোন থেকে, উঠে এসে উড়নচণ্ডী হাওয়া দূরান্বয়ী ছায়া দিয়ে

আমি বসে আছি নিস্তরঙ্গ কলরবকূলে, মালতীলতায় এবার ফুল আসেনি, হাঁড়িতে মা ভবানী, উনুনে পুড়ছে অস্তিত্বের ব্যাকুলতা