
সূচনা
ভোর হাতে বাধা দিয়েছিল যারা -সন্ধ্যার আগুনে তারা, চোয়াল শক্ত করে, ভালোবাসার কথা স্মরণ করেছে। তোমার হাতের তালুর মধ্যে সূর্যাস্তের কান্না

ভোর হাতে বাধা দিয়েছিল যারা -সন্ধ্যার আগুনে তারা, চোয়াল শক্ত করে, ভালোবাসার কথা স্মরণ করেছে। তোমার হাতের তালুর মধ্যে সূর্যাস্তের কান্না

দুএকটা গল্প গাছার পরেই, ভোর হয়ে গেল, পুরানো রোদের। বাজনার মতো ফাঁকা হয়ে গেল বুক, হালকা হয়ে এল জনশূন্য অন্ধকারের ভিত।

এই রোদে কথা ছিল রোদ্দুর হতে, আমাদের সব শিখা এক হতেপারেনি, তোলা আছে চিলেকোঠা, তোলা আছে স্বপ্নের হাতের গিটার, অন্ধকার কন্ঠস্বরে ভয় জাগে বলে

যখন প্রদীপ জ্বালিয়ে ফিরি, তখন দেখা হয় না, এ শিখা কাঁপে কিনা, যখন ফুটপাতের ভীড় ঠেলি তখন শোনা হয় না, দশ টাকায় কগাছা বেলফুলের মালা বিকোচ্ছে।

পুরুত মশাইয়ের ভীষণ তাড়া। এমন সময় যজমানেরা তাকে চটিয়ে দিয়েছে। এত বড় একটা শ্রাদ্ধের পুজো, সেখানে কিনা পানই নেই। পইপই করে ফর্দ লেখার সময় ঠাকুর কেষ্টর ব্যাটদের কানে কামড়ে বলে দিয়েছিল এক গোছা পান না হলে চলবে না। বেটারা সে কথা কানেই দেয়নি।

অক্ষয় পুরুষের সাথে হাঁটা
পাশে যদি মৃত্যু র ঘর–
সেই হাত স্পর্শ বিধুর
এভাবে অমর হতে হয়—

তোমাকে নাক,মুখ, চোখের নির্মাণ দিলাম
স্মৃতি দিলাম, প্রীতি দিলাম –
ভরপুর গতি দিলাম।