
ফাঁকা পকেটের সাথে
তোমাকে নাক,মুখ, চোখের নির্মাণ দিলাম
স্মৃতি দিলাম, প্রীতি দিলাম –
ভরপুর গতি দিলাম।
যখন প্রদীপ জ্বালিয়ে ফিরি
তখন দেখা হয় না, এ শিখা কাঁপে কিনা
যখন ফুটপাতের ভীড় ঠেলি তখন শোনা হয় না
দশ টাকায় কগাছা বেলফুলের মালা বিকোচ্ছে।
যখন ভালো আছো কিনা শুধোই হাসি মুখে
তখন ছোঁয়া যায় না তোমার ভালো না থাকা
প্রথম দিনের সূর্য।
কোনো পাশের বাড়ির মায়া জেগে নেই এই ইঁটে-কাঠে–
কোনো মামা বাড়ির খেলার সাথী ঝুলে নেই ঝুলন্ত সেতুতে–
কোনো নব্যপ্রস্তরযুগের সভ্য আহ্বান নেই সিগন্যাল মোড়ে…
তবু নড়িতে নড়িতে চলিতেছে সে…
বরগা কড়ির ঠোকাঠুকি বাঁচিয়ে শুধু ঘুম হয় আর
ঘুম থেকে জেগে ওঠার ভান করি।

তোমাকে নাক,মুখ, চোখের নির্মাণ দিলাম
স্মৃতি দিলাম, প্রীতি দিলাম –
ভরপুর গতি দিলাম।

অক্ষয় পুরুষের সাথে হাঁটা
পাশে যদি মৃত্যু র ঘর–
সেই হাত স্পর্শ বিধুর
এভাবে অমর হতে হয়—

পুরুত মশাইয়ের ভীষণ তাড়া। এমন সময় যজমানেরা তাকে চটিয়ে দিয়েছে। এত বড় একটা শ্রাদ্ধের পুজো, সেখানে কিনা পানই নেই। পইপই করে ফর্দ লেখার সময় ঠাকুর কেষ্টর ব্যাটদের কানে কামড়ে বলে দিয়েছিল এক গোছা পান না হলে চলবে না। বেটারা সে কথা কানেই দেয়নি।

যখন প্রদীপ জ্বালিয়ে ফিরি, তখন দেখা হয় না, এ শিখা কাঁপে কিনা, যখন ফুটপাতের ভীড় ঠেলি তখন শোনা হয় না, দশ টাকায় কগাছা বেলফুলের মালা বিকোচ্ছে।