
ফাঁকা পকেটের সাথে
তোমাকে নাক,মুখ, চোখের নির্মাণ দিলাম
স্মৃতি দিলাম, প্রীতি দিলাম –
ভরপুর গতি দিলাম।
দুএকটা গল্প গাছার পরেই
ভোর হয়ে গেল
পুরানো রোদের।
বাজনার মতো ফাঁকা হয়ে গেল বুক
হালকা হয়ে এল জনশূন্য অন্ধকারের ভিত।
চুরমার হয়ে যেতে যেটুকু সময়
তারমধ্যে বেঁচে থাকা। বর্তে যাওয়া।
এরপর সবকিছু এলোমেলো হবে।
অন্ধকারে গর্জে উঠবে রজনীগন্ধার বন।
পাল তোলা নৌকো তাই সাজানো উঠোন জুড়ে
আর কোনো ভুল নয়, আর কোনো ক্ষমা করা নয়।

তোমাকে নাক,মুখ, চোখের নির্মাণ দিলাম
স্মৃতি দিলাম, প্রীতি দিলাম –
ভরপুর গতি দিলাম।

অক্ষয় পুরুষের সাথে হাঁটা
পাশে যদি মৃত্যু র ঘর–
সেই হাত স্পর্শ বিধুর
এভাবে অমর হতে হয়—

পুরুত মশাইয়ের ভীষণ তাড়া। এমন সময় যজমানেরা তাকে চটিয়ে দিয়েছে। এত বড় একটা শ্রাদ্ধের পুজো, সেখানে কিনা পানই নেই। পইপই করে ফর্দ লেখার সময় ঠাকুর কেষ্টর ব্যাটদের কানে কামড়ে বলে দিয়েছিল এক গোছা পান না হলে চলবে না। বেটারা সে কথা কানেই দেয়নি।

যখন প্রদীপ জ্বালিয়ে ফিরি, তখন দেখা হয় না, এ শিখা কাঁপে কিনা, যখন ফুটপাতের ভীড় ঠেলি তখন শোনা হয় না, দশ টাকায় কগাছা বেলফুলের মালা বিকোচ্ছে।