
মাদারির খেলা
ছোট্টোবেলার একটা কথা ভীষণ মনে পড়ে, বাঁদর নাচের আসত খেলা তখন গাঁয়ে-ঘরে। ডুগ-ডুগ-ডুগ ডুগডুগিটা বাজত দারুন তালে মাদারি তার খেল দেখাত

ছোট্টোবেলার একটা কথা ভীষণ মনে পড়ে, বাঁদর নাচের আসত খেলা তখন গাঁয়ে-ঘরে। ডুগ-ডুগ-ডুগ ডুগডুগিটা বাজত দারুন তালে মাদারি তার খেল দেখাত

মাটিতে নেমেছে ধ্বস, দেয়ালে কাঁপছে করাল ছায়া, বাসস্থান ঠাঁই খোঁজে পর্যুদস্ত বিকেলের মেঘে, সকালের মৌন শিকড়ে বৌদ্ধ সঙ্ঘ খুঁজে ফেরে, খেরোবাঁধা প্রাচীন লিপির ভিত।

তোমার দেখা পেলেই, ছায়াহীন মাঠ প্রসন্ন হয়ে ওঠে, সাত সমুদ্র কল্লোলিত হয়, অরণ্যে অরণ্যে পাখিদের সভা বসে।

ভালোবাসার সংরক্ষিত আসনের ভাষ্যকার আমি নই। তবু জানি আপাত-নিরীহ চারটি অক্ষরকত কথা কত কাহিনির কত পর্যটনের দ্যুতি ছড়িয়ে দেয় আঁধারমাণিক বিরহী গ্রামের পাঁজরে পাঁজরে।

শালফুলের গন্ধে ভেসে গেল আমার গার্হস্থ্য সন্ন্যাস। দায়িত্ববান নিয়মকানুন চুপিসাড়ে চলে গেল দৈবজ্ঞের হাতে।

অনেক দীর্ঘশ্বাস জড়ো হয়ে, তৈরি করেছে তমসার ভুবন, যার কোনো দিগন্ত নেই নক্ষত্রহীন আকাশে যার কোনো পূর্ণিমা নেই, নেই কোনো সূর্যসকাল আলো।

একরাশ ধুলোর ঘূর্ণি ঘুরপাক দিয়ে, তছনছ করে দিচ্ছে ঘর সংসারের প্রাত্যহিক ভাষা, ভেঙে দিচ্ছে সম্ভ্রমের ভালোবাসা, আর দৈনন্দিন নিরাপত্তা।

পায়ে পায়ে পথ চলা, তোমার সঙ্গে কথা বলা, ফুরোয় না ফুরোয় না একেবারেই । চলো যাই নীপবনে, আপনমনে প্রত্নলিপির আবক্ষস্নান

পাতাল থেকে উঠে আসছে, অন্ধকারের নারকীয় আবর্ত। আমার ঘরে এখন মৃতপ্রায় সকাল, অনিচ্ছুক সংলাপে লিখে যাচ্ছে দগ্ধ তরুর আলেখ্য।