
আবর্ত
পাতাল থেকে উঠে আসছে, অন্ধকারের নারকীয় আবর্ত। আমার ঘরে এখন মৃতপ্রায় সকাল, অনিচ্ছুক সংলাপে লিখে যাচ্ছে দগ্ধ তরুর আলেখ্য।
ঘুম থেকে উঠে দেখি
আকাশটা নেই
চিলগুলো উড়ে গেছে
চিলেকোঠাতেই
জানালায় কুয়াশার
চাপা দীর্ঘশ্বাস
ভোরের নিঝুম আলো
বেপথু বাতাস
ছায়া ছায়া কোলাহল
কানাকানি করে
কোথায় কী ঘটে যায়
বিচক্ষণ ঘরে
বিচারে বিতর্ক সব
কানামাছি খেলে
মৃতদের কান্নাগুলি
থাকে অবহেলে
দিন যায় দিন আসে
বোধ পরবাসে
ঠিকানা হারায় চিঠি
দৈবজ্ঞের মাসে
জলাশয়ে পদ্মকলি
মাথা কুটে মরে
তোমাকে খুঁজেছি আমি
বিভ্রান্তির ঘরে।।

পাতাল থেকে উঠে আসছে, অন্ধকারের নারকীয় আবর্ত। আমার ঘরে এখন মৃতপ্রায় সকাল, অনিচ্ছুক সংলাপে লিখে যাচ্ছে দগ্ধ তরুর আলেখ্য।

পায়ে পায়ে পথ চলা, তোমার সঙ্গে কথা বলা, ফুরোয় না ফুরোয় না একেবারেই । চলো যাই নীপবনে, আপনমনে প্রত্নলিপির আবক্ষস্নান

একরাশ ধুলোর ঘূর্ণি ঘুরপাক দিয়ে, তছনছ করে দিচ্ছে ঘর সংসারের প্রাত্যহিক ভাষা, ভেঙে দিচ্ছে সম্ভ্রমের ভালোবাসা, আর দৈনন্দিন নিরাপত্তা।