
করাঙ্গুলি রুদ্রাক্ষমালায়
অবসন্ন বেলায় ঈশ্বরীর বাগানে, গা এলিয়ে পড়ে ছিল কামরাঙা রোদ, পোড়ো বাড়িটার উঠোন থেকে, উঠে এসে উড়নচণ্ডী হাওয়া দূরান্বয়ী ছায়া দিয়ে

অবসন্ন বেলায় ঈশ্বরীর বাগানে, গা এলিয়ে পড়ে ছিল কামরাঙা রোদ, পোড়ো বাড়িটার উঠোন থেকে, উঠে এসে উড়নচণ্ডী হাওয়া দূরান্বয়ী ছায়া দিয়ে

আমি বসে আছি নিস্তরঙ্গ কলরবকূলে, মালতীলতায় এবার ফুল আসেনি, হাঁড়িতে মা ভবানী, উনুনে পুড়ছে অস্তিত্বের ব্যাকুলতা

নির্জন পথটায় যানবাহন ছিল না, ছিল না লোকচলাচল ছিল না কোনো ল্যামপোস্ট, তবু দাঁড়িয়ে ছিল রক্তচক্ষুর ট্রাফিক সিগন্যাল।

জানালার কাছে টেবিলে ছড়ানো আছে, বইপত্তর কাগজ কলম আর অসমাপ্ত পাণ্ডুলিপি। অমল বিষাদে মনে মনে পাহাড় দেখি, আমার সাধের শব্দমালা সাধনার অন্বেষণে মৌমাছিদের ঝাঁক পেরিয়ে পাহাড়ের উপত্যকায় গেছে এখনো ফেরেনি।

দেখার জন্য চোখ মেলেছিচোখ মেলতেই কিছু আর দেখা গেল না। আয়নায় মুখ দেখার কালে আয়নাটা অন্যের মুখে মুখ দেখবে বলে, দেয়াল থেকে নেমে সোজা চলে গেল গল্পের আসরে।

চারদিকে বড্ড কোলাহল আমাদের সীমানাটা বড্ড কাপুরুষ এমন একটা সীমানায় আমরা দাঁড়িয়ে যেখানে কথা বলা প্রায় নিষিদ্ধ।

চায়ে চুমুক দিতে দিতে তিনি বৃষ্টি এবং বন্যার কথা বলতে বলতে স্হানীয় সমাচার ও চাষ আবাদের কথা শেষ করে চলে গেলেন কালিদাসে।

অনেক দীর্ঘশ্বাস জড়ো হয়ে, তৈরি করেছে তমসার ভুবন, যার কোনো দিগন্ত নেই নক্ষত্রহীন আকাশে যার কোনো পূর্ণিমা নেই, নেই কোনো সূর্যসকাল আলো।

সেই কবে এসেছিল কাছে, বৃন্দাবনী সুরটি ফেলে রেখে চলে গেছে দূরে। তার পর থেকেই মনে হয়, কেউ বোধ হয় অপেক্ষা করে বসে আছে।

ভরদুপুরে গাছের তলায় বসে ছিল স্বল্পবসন বাচাল কিছু ছায়া, জ্যৈষ্ঠ মাসের হঠাৎ হাওয়া মাতাল হয়ে ঘনিষ্ঠতা দাবি করছিল।