
একা এক ছাতিম
ঈশ্বর দেখিনি আমি |ঈশ্বর পূজেছি| মানুষ দেখেছি আমি |মানুষ পুজিনি |সেই পাপে বিবর্ণ হয়েছে মাটি| ছায়া ফিরে গেছে গাছে |একটি

ঈশ্বর দেখিনি আমি |ঈশ্বর পূজেছি| মানুষ দেখেছি আমি |মানুষ পুজিনি |সেই পাপে বিবর্ণ হয়েছে মাটি| ছায়া ফিরে গেছে গাছে |একটি

তিথিডোরে বাঁধা ছিল প্রণয়-বিতান, চাঁদের আলোয় ছিল স্বর্গের সুষমা, হাতে হাত রাখা নীরব ভাষা এঁকেছিল, দীক্ষালব্ধ অদম্য পিপাসা।

তোমাকে নাক,মুখ, চোখের নির্মাণ দিলাম
স্মৃতি দিলাম, প্রীতি দিলাম –
ভরপুর গতি দিলাম।

তেষ্টায় বুক ফাটছে মাটি কপাল দোষে কালের দোষে পোড়ার মুখি হামলে পড়েশুকনো বুকে বেবাক শোকে নৈঋতে মেঘ ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি আনেপোড়ার

তোমাকে নাক,মুখ, চোখের নির্মাণ দিলাম
স্মৃতি দিলাম, প্রীতি দিলাম –
ভরপুর গতি দিলাম।

যোগ্য কিংবা অযোগ্যরা সবাই যখন পথের ধারে, চাল পাথরে মিশিয়ে দিতেই, কে আর কাকে চিনতে পারে

আমার ফুল বনে আজ ফুল ফোটাবেতেমন মালী কই তুমি ভুল করেও কুল ভাঙ্গো নামন ভোলানো সই। আমার চিলকা সকাল শির

তোমাকে নাক,মুখ, চোখের নির্মাণ দিলাম
স্মৃতি দিলাম, প্রীতি দিলাম –
ভরপুর গতি দিলাম।

তোমার কাছে তো মানবিকতা আশা করা বহু দূর, নির্মমতাও বলবে -“তুমি, এতখানি নিষ্ঠুর। “নির্লজ্জতা আর কোনোদিনও ঘেষবে না এসে কাছে তোমাকেই দেখে মুখ পোড়ে

মশারা সব নেমেছে রাস্তায়। ভাবছো কোনো শখে বা আহ্লাদে? না গো দাদা, ডেঙ্গু বাড়ছে খুব, মশার মিছিল তারই প্রতিবাদে।