
কবিতা
হেমন্তের দেশে
হেমন্তের শস্যহীন ন্যাড়া মাঠ অপেক্ষায় থাকবে | বৃষ্টি জলে ধুয়ে কবিতার বীজ বপন করবে নবীন কবির দল | মুক্তক ছন্দে ভরে উঠবে খামার |
ঈশ্বর দেখিনি আমি |ঈশ্বর পূজেছি|
মানুষ দেখেছি আমি |মানুষ পুজিনি |
সেই পাপে বিবর্ণ হয়েছে মাটি|
ছায়া ফিরে গেছে গাছে |
একটি ছাতিম গাছ
একা একা রবি ঠাকুরের সাথে হাঁটে

হেমন্তের শস্যহীন ন্যাড়া মাঠ অপেক্ষায় থাকবে | বৃষ্টি জলে ধুয়ে কবিতার বীজ বপন করবে নবীন কবির দল | মুক্তক ছন্দে ভরে উঠবে খামার |

যার সাথে ঘর বেঁধেছি আমি, মেয়েটি ঝগড়ুটে, আধখানা চাঁদ উধাও হলে, হলদে পলাশ ফোটে | যার সাথে ঘর বেঁধেছি আমি, মেয়েটি ঝগড়ুটে

ফেরিঘাটে চরকা কাটে, চন্দ্রপ্রভারাত। ঘরেরছেলে ঘরে ফেরেনি, দাঁতে কাটেনি ভাত। সাঁকোর উপর বসে আছে, একটা শালিক পাখি।

বাবার ট্যাক থেকে টুপ-টাপ খসে পড়েসংসারের নানান খুচরো।আমার গণিত জানা মা তা কুড়িয়ে রাখেন আঁচলের খুটে।আমি ভাবি সংসার বুঝি কাব্যকথা।মা বলেন – সংসার একটি গণিত