
হেমন্তের দেশে
হেমন্তের শস্যহীন ন্যাড়া মাঠ অপেক্ষায় থাকবে | বৃষ্টি জলে ধুয়ে কবিতার বীজ বপন করবে নবীন কবির দল | মুক্তক ছন্দে ভরে উঠবে খামার |
ফেরিঘাটে চরকা কাটে
চন্দ্রপ্রভারাত।
ঘরেরছেলে ঘরে ফেরেনি
দাঁতে কাটেনি ভাত।
সাঁকোর উপর বসে আছে
একটা শালিক পাখি।
নক্সি কাঁথায় জীবন খোঁজ্
বিরহী দৈবকী।
সাঁকোর নীচের পাগলিটা রোজ
পথের খোঁজ করে।
মনের ঘরে সিঁদ কেটেছে
পথ নিয়েছে চোরে।
ছন্দকাটে নদীর ঘাটে
একলা যখন রই।
বৃষ্টির নাম আগুন হয়
জীবনের নাম ছই।

হেমন্তের শস্যহীন ন্যাড়া মাঠ অপেক্ষায় থাকবে | বৃষ্টি জলে ধুয়ে কবিতার বীজ বপন করবে নবীন কবির দল | মুক্তক ছন্দে ভরে উঠবে খামার |

যার সাথে ঘর বেঁধেছি আমি, মেয়েটি ঝগড়ুটে, আধখানা চাঁদ উধাও হলে, হলদে পলাশ ফোটে | যার সাথে ঘর বেঁধেছি আমি, মেয়েটি ঝগড়ুটে

বাবার ট্যাক থেকে টুপ-টাপ খসে পড়েসংসারের নানান খুচরো।আমার গণিত জানা মা তা কুড়িয়ে রাখেন আঁচলের খুটে।আমি ভাবি সংসার বুঝি কাব্যকথা।মা বলেন – সংসার একটি গণিত

ঈশ্বর দেখিনি আমি |ঈশ্বর পূজেছি| মানুষ দেখেছি আমি |মানুষ পুজিনি |সেই পাপে বিবর্ণ হয়েছে মাটি| ছায়া ফিরে গেছে গাছে |একটি ছাতিম গাছএকা একা রবি ঠাকুরের