
আবর্ত
পাতাল থেকে উঠে আসছে, অন্ধকারের নারকীয় আবর্ত। আমার ঘরে এখন মৃতপ্রায় সকাল, অনিচ্ছুক সংলাপে লিখে যাচ্ছে দগ্ধ তরুর আলেখ্য।
তিথিডোরে বাঁধা ছিল প্রণয়-বিতান
চাঁদের আলোয় ছিল স্বর্গের সুষমা
হাতে হাত রাখা নীরব ভাষা এঁকেছিল
দীক্ষালব্ধ অদম্য পিপাসা।
বেপথু বাতাসে ভাসে গোপন সন্ত্রাস
মাঝরাতে দানবের সমূহ উল্লাস
চাঁদের আলো ডিঙিয়ে ঢুকে পড়ে বন্দুকের নল
উপত্যকার মাটি আঁকড়ে লুটিয়ে পড়ে প্রণয়ের কাল।
অন্ধকার ঢেকে দিল পাইনের বন
ভালোবাসা কেঁদে উঠলো রক্তাক্ত শরীরে
কোথাও কোনো আলো ছিল না
অমাবস্যায় ডুবে ছিল ত্রস্ত উপত্যকা।
আগন্তুক দলবল পৈশাচিক খেলা খেলে
ফিরে গেল গাছের আড়ালে
রক্তাক্ত মাটির বুকে ভালোবাসা মাথা কুটে মরে
পার্বতী পরমেশ্বর ডুবে ছিল অমাবস্যার গানে।।
কোনো ঘরে আর আলো জ্বলেনি।।

পাতাল থেকে উঠে আসছে, অন্ধকারের নারকীয় আবর্ত। আমার ঘরে এখন মৃতপ্রায় সকাল, অনিচ্ছুক সংলাপে লিখে যাচ্ছে দগ্ধ তরুর আলেখ্য।

পায়ে পায়ে পথ চলা, তোমার সঙ্গে কথা বলা, ফুরোয় না ফুরোয় না একেবারেই । চলো যাই নীপবনে, আপনমনে প্রত্নলিপির আবক্ষস্নান

একরাশ ধুলোর ঘূর্ণি ঘুরপাক দিয়ে, তছনছ করে দিচ্ছে ঘর সংসারের প্রাত্যহিক ভাষা, ভেঙে দিচ্ছে সম্ভ্রমের ভালোবাসা, আর দৈনন্দিন নিরাপত্তা।