
সেই নামটা ২
যার কথা অলস অবসরে মনে পড়লেই, কবিতার চরণগুলো আজও, সেজে ওঠে নিজের দায়িত্বে, একটা কাহিনিকে আঁকড়ে, শব্দগুলো ছন্দের বেড়ি পরেই

যার কথা অলস অবসরে মনে পড়লেই, কবিতার চরণগুলো আজও, সেজে ওঠে নিজের দায়িত্বে, একটা কাহিনিকে আঁকড়ে, শব্দগুলো ছন্দের বেড়ি পরেই

জীবনের শেষ পাতা, মুছে ফেলা যায় কি? কঠিন সময় গুলো, ভুলে থাকা যায় কি? শুধু মন উচাটন, হাবুডুবু খায় জন, অবশেষে ফিরে আসে, নিরুপায় নিদারুণ।

ভোরাই রাগে তখন সেতারের ঝংকার, পুবালি বাতাসে পরিপূর্ণ জীবনের জয়গান, দিক থেকে দিগন্তে বিন্দু বিন্দু সিঞ্চিত জলকনার মতো ঝরে পড়ছে স্নেহ- মায়া

যুদ্ধ থেমেছে আজ, সীমান্তের অক্লান্ত প্রহরীরও, আজ ঘরে ফেরার, উন্মত্ত তাড়না।

ছারখার হয়ে যায় সিদ্ধান্তকুশল গন্তব্য, শরীরসন্দর্ভ জুড়ে বসে থাকে দিনের দহন, আর রাত্রির সন্তাপ। দাক্ষিণ্যের নাম নিয়ে ডাক দেয়, নির্বাক প্রত্যাখ্যান, আনুগত্যে বদলে যায় স্নায়বিক বিপুল বিতৃষ্ণা।

আবার আসবো আমি, আসবো ফিরে, চৈতি রাতের চাঁদনী হয়ে, নিশীথের নিঝুম নিরালায়। আবার আসবো ফিরে, স্নিগ্ধ শিলাবতী তীরে

যদি কোনদিন তোমার, মনের জানালাটা, খোলা পেয়ে ঢুকে পড়ি, আর তুমি চোর বলে, তেড়ে আসো,

মায়ার বাঁধন ছিন্ন করে, ওই অনন্ত আকাশের বুকে, একদিন মেলে ধরবে, তোমার রুপসা ডানার বাহার

কুয়াশাচ্ছন্ন ভোর, চারিদিক আঁধার, বৃষ্টির মতন জলের ফোটার শব্দ, নিস্তব্ধতা ঘিরিছে চারিধার। সড়কপথে গাড়ির শব্দ শো করিয়া মিলিয়া যায়