কুয়াশাচ্ছন্ন ভোর,
চারিদিক আঁধার,
বৃষ্টির মতন জলের ফোটার শব্দ,
নিস্তব্ধতা ঘিরিছে চারিধার।
সড়কপথে গাড়ির শব্দ শো করিয়া মিলিয়া যায়,
ভারী গাড়ি গুলো গমগম শব্দে চলিয়াছে,
শূন্য পথে আলো দ্রুত পথ খুঁজে ফেরে হায়।
ভোরের কুয়াশায় নেই কোনো কাকলির গান,
টিনের চালে কুয়াশার শব্দের টুংটাং কলতান।
শব্দ মিলিয়ে যায়,
বিশ্ব ঘুমিয়ে রয়,
যেন এই পৃথিবী জন প্রাণী হীন,
কোলাহল বিহীন এক শান্ত নিলয়।
আমি শুধু একাকিনী,
নিদারুন নিস্তব্ধতার সঙ্গিনী,
বসে আছি ধরাতলে,
আপন বসন আঁচলে ঢাকিয়াছি মুখ।
এ যেন এক নিস্তব্ধতাময় অনাবিল সুখ।

বৃষ্টি আমার অনেক প্রিয়,
প্রিয় অনেক কিছুই,
বাতাসের ওই হালকা ছোঁয়া,
গন্ধ মাখা রঙিন ধোঁয়া,
লাল রঙা ওই পূবের আলো,

মন ডানাতে ভর করে আজ,
মেঘের দেশে দিলাম পাড়ি,
তাই বলে কি যায় গো বলা, মাটির সাথে আমার আড়ি।

কেউবা এখন শুনছে বসে নীরবতার গান,কেউ হারালো সমস্ত সুরমধুর কলতান। হাজার কথা খুনসুটি আরকতক অভিমান, মুহূর্তে সব হারিয়ে গেল বিষন্নতার ঘ্রাণ।