
সুপ্ত ভানু
কাল রাতভর বৃষ্টি হয়েছে অবিরাম, ভিজে ডানা নিয়ে শালিক পাখিদের, খাবারের খোঁজে নেই বিরাম। জাম গাছের চিকন কচি পাতায় বিন্দু বিন্দু জল

কাল রাতভর বৃষ্টি হয়েছে অবিরাম, ভিজে ডানা নিয়ে শালিক পাখিদের, খাবারের খোঁজে নেই বিরাম। জাম গাছের চিকন কচি পাতায় বিন্দু বিন্দু জল

ছন্দ সুরে, ছন্দ গানে, ছন্দ মোদের জীবন দানে, ঝর্ণাধারাও ছন্দ জানে,ছন্দ মেলে পাখির গানে, প্রভাত হাওয়া ছন্দে ঘোরে ছন্দে প্রদীপ নিত্য দ্বোরে,

বাবা যে হয় হাজার তারার, মাঝের ধ্রুবতারা,সুখে দুঃখে ডাকবে যখন, পাবেই তুমি সাড়া। ভোর হল যে ওঠ রে খুকু, এটা দিয়েই শুরু,সারাটা দিন বায়না যত

বাবু মশাই শুনছো নাকি, হচ্ছে কানাকানি, ভোজ বাড়িতে দুর্ঘটনা জবর খবর জানি! সাতশ লোকের আয়োজনে ,স্বরগরমে নিমন্ত্রণে, সমাহারে সাজলো বাড়ি,

হারিয়ে যাওয়া আলো যখন, মেঘের ফাটল মুগ্ধ করে, বিদীর্ণ সেই মেঘ মাঝারে, তীক্ষ্ণ আলোর রৌদ্র ঝরে।

তপ্ত বালুকা রাশির মতন জ্বলন্ত হৃদয়। শুধু হাহাকার, নেই কোন শান্তির লেশ। অজস্র অশ্রু বারি নিদারুণ উপেক্ষা তে ঝরে যাওয়া। কেউ রাখে না তার মান,

সন্ধ্যা কালে গগন তলে, আঁধার নামে ভুবন কোলে। তুলসী থানে গৃহবধূ, শঙ্খ রবে প্রদীপ জ্বালে। ছোট্ট শিশু বারান্দাতে, হাত পা ধুয়ে পড়তে বসে।

জীবনের শেষ পাতা, মুছে ফেলা যায় কি? কঠিন সময় গুলো, ভুলে থাকা যায় কি? শুধু মন উচাটন, হাবুডুবু খায় জন, অবশেষে ফিরে আসে, নিরুপায় নিদারুণ।

কুয়াশাচ্ছন্ন ভোর, চারিদিক আঁধার, বৃষ্টির মতন জলের ফোটার শব্দ, নিস্তব্ধতা ঘিরিছে চারিধার। সড়কপথে গাড়ির শব্দ শো করিয়া মিলিয়া যায়

আকাশ বুঝি ক্লান্ত! জল থৈ থৈ পুকুর ঘাটে, দিনটি বড়ই শ্রান্ত।। ভিজে ভিজে ব্যস্ততা আজ, চলছে ধীরু পায়।