বাবু মশাই শুনছো নাকি,
হচ্ছে কানাকানি,
ভোজ বাড়িতে দুর্ঘটনা
জবর খবর জানি!
সাতশ লোকের আয়োজনে ,
স্বরগরমে নিমন্ত্রণে,
সমাহারে সাজলো বাড়ি,
ঝাড়বাতির ওই আলোক ভারি।
কফির দোকান, ফুচকা সাথে
পকোড়াও জমলো তাতে,
বিপুল ভিড়ে ঠাসাঠাসি,
সব ফুরোলো রাশি রাশি।
তার পড়েতে ভোজের পাতি,
নানান খাবার মাতামাতি,
ঠেলাঠেলি, গাদাগাদি,
অপেক্ষাতে অর্ধ রাতি।
ভোজবাড়ির ওই ফুলকো বাহার,
বাচ্চা বুড়োর দারুন আহার,
আলুর দম আর ছোলার ডালে,
জমলো ভীষণ ভোজের থালে।
সাদা ভাত আর ডাল, বেগুনি
চিংড়ি পটল আছেই জানি,
রুই, কাতলা, পাবদা, ইলিশ,
পাতায় মোরা ভেটকি বালিশ।
ফ্রাইড রাইস, মটন কষা,
পড়লো পাতে স্যালাড শসা।
ক্ষীরের মালাই সাথে রাজভোগ,
সেইখানেতেই ঘটে দুর্যোগ!
রাজভোগে তে মন দিয়েছেন
সিমলা পালের হাবু,
মন্ডা মিঠাই কাল হলো তার!
হলেন এবার কাবু।
হাবুর পেটে বেজায় খিদে
মন্ডা মিঠাই ঢুকছে গেদে,
হঠাৎ আওয়াজ ফাটলো ভুঁড়ি!
শেষ হলো তার জারিজুরি।
হই হই হই রব উঠেছে,
কি হলো গো কি ঘটেছে?
সমস্বরে বলছে সবাই,
পেট ফেটেছে, পেট ফেটেছে।

বৃষ্টি আমার অনেক প্রিয়,
প্রিয় অনেক কিছুই,
বাতাসের ওই হালকা ছোঁয়া,
গন্ধ মাখা রঙিন ধোঁয়া,
লাল রঙা ওই পূবের আলো,

মন ডানাতে ভর করে আজ,
মেঘের দেশে দিলাম পাড়ি,
তাই বলে কি যায় গো বলা, মাটির সাথে আমার আড়ি।

কেউবা এখন শুনছে বসে নীরবতার গান,কেউ হারালো সমস্ত সুরমধুর কলতান। হাজার কথা খুনসুটি আরকতক অভিমান, মুহূর্তে সব হারিয়ে গেল বিষন্নতার ঘ্রাণ।