সন্ধ্যা কালে গগন তলে
আঁধার নামে ভুবন কোলে।
তুলসী থানে গৃহবধূ
শঙ্খ রবে প্রদীপ জ্বালে।
ছোট্ট শিশু বারান্দাতে
হাত পা ধুয়ে পড়তে বসে।
বৃদ্ধ শশুর ঘরের মাঝে
হুকো নিয়ে তামাক সাজে ।
লাঙ্গল নিয়ে ঘরের ছেলে
গোয়াল ঘরে জোঙ্গাল ফেলে,
হাত পা ধুয়ে দাওয়াই এসে
খই মুড়িটি খেতে বসে।
বাড়ির কোণে আঁধার ঘণে
শ্যামাপোকা বাতির পানে,
জোনাকীর ওই আলোর টানে,
হুতোম ডাকে মাঠের কোণে।
ঝিঁঝি পোকা ঝিল্লী রবে,
রাত পোহালে শান্ত হবে,
আকাশ ভরে তারার রেখা,
চন্দ্র মামা দিল দেখা।

বৃষ্টি আমার অনেক প্রিয়,
প্রিয় অনেক কিছুই,
বাতাসের ওই হালকা ছোঁয়া,
গন্ধ মাখা রঙিন ধোঁয়া,
লাল রঙা ওই পূবের আলো,

মন ডানাতে ভর করে আজ,
মেঘের দেশে দিলাম পাড়ি,
তাই বলে কি যায় গো বলা, মাটির সাথে আমার আড়ি।

কেউবা এখন শুনছে বসে নীরবতার গান,কেউ হারালো সমস্ত সুরমধুর কলতান। হাজার কথা খুনসুটি আরকতক অভিমান, মুহূর্তে সব হারিয়ে গেল বিষন্নতার ঘ্রাণ।