
আবর্ত
পাতাল থেকে উঠে আসছে, অন্ধকারের নারকীয় আবর্ত। আমার ঘরে এখন মৃতপ্রায় সকাল, অনিচ্ছুক সংলাপে লিখে যাচ্ছে দগ্ধ তরুর আলেখ্য।
ছারখার হয়ে যায় সিদ্ধান্তকুশল গন্তব্য
শরীরসন্দর্ভ জুড়ে বসে থাকে দিনের দহন
আর রাত্রির সন্তাপ।
দাক্ষিণ্যের নাম নিয়ে ডাক দেয়
নির্বাক প্রত্যাখ্যান
আনুগত্যে বদলে যায় স্নায়বিক বিপুল বিতৃষ্ণা।
অবসন্ন বেলার রোদ্দুর ফিকে হয়ে আসে
বাতাসে বাতাসে ফেরে অটল পাহারা
স্বরক্ষেপণে সরল কথার মানে জটিলতা আনে।
ছড়ানো শরীরগুলি অজুহাত খোঁজে
অন্য ইচ্ছায় মন নেই কোনো
প্রার্থনাও জানে না কেমন করে বলতে হয়।
বলতে জানে না নদীর ওপারে যাওয়া যায় কিনা
অথবা ওপারের আকাশে মেঘ
সংবর্ত জাগায় কিনা।
ইচ্ছাহীন শরীরে নেই তরঙ্গিত উচ্চারণ
অবসন্ন বেলায় থমকে আছে
হলুদমর্মর ঝরা পাতা।
আজ থাক
অন্যদিন কথা বলবে মৃতপ্রায় বচনবিন্যাস
তখন আমরা ঘরে ফেরার গল্প বলবো।।

পাতাল থেকে উঠে আসছে, অন্ধকারের নারকীয় আবর্ত। আমার ঘরে এখন মৃতপ্রায় সকাল, অনিচ্ছুক সংলাপে লিখে যাচ্ছে দগ্ধ তরুর আলেখ্য।

পায়ে পায়ে পথ চলা, তোমার সঙ্গে কথা বলা, ফুরোয় না ফুরোয় না একেবারেই । চলো যাই নীপবনে, আপনমনে প্রত্নলিপির আবক্ষস্নান

একরাশ ধুলোর ঘূর্ণি ঘুরপাক দিয়ে, তছনছ করে দিচ্ছে ঘর সংসারের প্রাত্যহিক ভাষা, ভেঙে দিচ্ছে সম্ভ্রমের ভালোবাসা, আর দৈনন্দিন নিরাপত্তা।