
বাবা
বাবা যে হয় হাজার তারার, মাঝের ধ্রুবতারা,সুখে দুঃখে ডাকবে যখন, পাবেই তুমি সাড়া। ভোর হল যে ওঠ রে খুকু, এটা দিয়েই শুরু,সারাটা দিন বায়না যত

বাবা যে হয় হাজার তারার, মাঝের ধ্রুবতারা,সুখে দুঃখে ডাকবে যখন, পাবেই তুমি সাড়া। ভোর হল যে ওঠ রে খুকু, এটা দিয়েই শুরু,সারাটা দিন বায়না যত

সেই কবে এসেছিল কাছে, বৃন্দাবনী সুরটি ফেলে রেখে চলে গেছে দূরে। তার পর থেকেই মনে হয়, কেউ বোধ হয় অপেক্ষা করে বসে আছে।

ভোর হাতে বাধা দিয়েছিল যারা -সন্ধ্যার আগুনে তারা, চোয়াল শক্ত করে, ভালোবাসার কথা স্মরণ করেছে। তোমার হাতের তালুর মধ্যে সূর্যাস্তের কান্না

ফেরিঘাটে চরকা কাটে, চন্দ্রপ্রভারাত। ঘরেরছেলে ঘরে ফেরেনি, দাঁতে কাটেনি ভাত। সাঁকোর উপর বসে আছে, একটা শালিক পাখি।

দুএকটা গল্প গাছার পরেই, ভোর হয়ে গেল, পুরানো রোদের। বাজনার মতো ফাঁকা হয়ে গেল বুক, হালকা হয়ে এল জনশূন্য অন্ধকারের ভিত।

এই রোদে কথা ছিল রোদ্দুর হতে, আমাদের সব শিখা এক হতেপারেনি, তোলা আছে চিলেকোঠা, তোলা আছে স্বপ্নের হাতের গিটার, অন্ধকার কন্ঠস্বরে ভয় জাগে বলে

হারিয়ে যাওয়া আলো যখন, মেঘের ফাটল মুগ্ধ করে, বিদীর্ণ সেই মেঘ মাঝারে, তীক্ষ্ণ আলোর রৌদ্র ঝরে।

ভরদুপুরে গাছের তলায় বসে ছিল স্বল্পবসন বাচাল কিছু ছায়া, জ্যৈষ্ঠ মাসের হঠাৎ হাওয়া মাতাল হয়ে ঘনিষ্ঠতা দাবি করছিল।

তপ্ত বালুকা রাশির মতন জ্বলন্ত হৃদয়। শুধু হাহাকার, নেই কোন শান্তির লেশ। অজস্র অশ্রু বারি নিদারুণ উপেক্ষা তে ঝরে যাওয়া। কেউ রাখে না তার মান,

সন্ধ্যা কালে গগন তলে, আঁধার নামে ভুবন কোলে। তুলসী থানে গৃহবধূ, শঙ্খ রবে প্রদীপ জ্বালে। ছোট্ট শিশু বারান্দাতে, হাত পা ধুয়ে পড়তে বসে।