
জাদুকরের মৃত্যু
আমার ছিল বাউল হওয়ার শখ,
আমার ছিল জাদু শেখার কথা,
আমার ছিল ঘুমিয়ে পড়ার মন,
নীল আকাশে জড়িয়ে নকশী কাঁথা

আমার ছিল বাউল হওয়ার শখ,
আমার ছিল জাদু শেখার কথা,
আমার ছিল ঘুমিয়ে পড়ার মন,
নীল আকাশে জড়িয়ে নকশী কাঁথা

এই আশ্চর্য গদ্য গ্রন্থটি আমাকে চমকে দিয়েছে। কবির লেখা গদ্য বুঝি সর্বদা কবিতাই হয়। চমকে কথাটা লিখেছি বটে, তবে ওটা ঠিক প্রযোজ্য নয় এ ক্ষেত্রে।

অনেকদিনের পরে আবার বৃষ্টি এসে, অনেক কথাই নতুন করে জানিয়ে দিল,অন্ধকারে ধুলোয় ভরা খাটের নীচে, আমার একটি ছোট্ট বাঁশের বাঁশিও ছিল।

স্বপ্ন জিনিসটা খুব বাজে ! আপনি ঘুমুচ্ছেন। অসহায় অবস্থা। কিছু করার ক্ষমতা নেই, এমনি সময় এক বিকটাকৃতি মুখ এসে দেখা দিল। আপনি না পারবেন পালাতে।

সমাদ্দার বাবু চোখে চশমা পরেন,
আর পরেন এক রহস্যময় টুপি।
তিনি একদিন বিকেল বেলায়,
স্টেজের উপর থেকে
সারি সারি চেয়ারের উদ্দেশ্যে বলে দিলেন

শখ চেপেছিল ঘাড়ে, ভেবে রাগে আঙ্গুল কামড়ে ফেলেন অঘোর বাবু। বেশ চলছিল দিন। সকালে চা, বিকালে পাপড়ের সাথে আবার চা। দুপুরে ভাত, রাত্রে রুটি।

সার্জারি ডিউটির সময় আমাদের স্যার একটা খুব ভালো উপদেশ দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, ” হাত ধোয়া হয়ে গেলে কখনও আর পিছনে বা কোমরের নিচে হাত নিয়ে যাবি

ঘটনার শুরু শনিবার সকালে।আমাদের পাড়ার এক উঠতি কবি ভাই সাত সকালে এক কবিতা পাঠাল। কোনও এক উঠতি পত্রিকার কবি এই কবিতার ছবি তাঁকে পাঠিয়েছে। সে

গোপালবাবু গোলগাল লোক। নিরীহ এবং ভদ্রলোক বলা যায়।সাথে লেখকও, ছোটগল্প লেখেন। এহেন গোপালবাবু একটু বেকায়দায় পড়ে গেছেন। স্বেচ্ছায় কখনই তিনি এই ঝামেলায় পড়তেন না। ওই

আমার হয়ে শবেরা প্রতিমূহুর্তের নিকশআঁধারে প্রদীপ এক জ্বালানো নির্ভিক!বছর গড়িয়ে যাক, কোট যাক দিন আর মাসজানালাটা খোলা রেখো, দেখবো আকাশ!যদিও শান্ত দিন, পাখিরাও ফিরে গেল