
অন্তঃস্বর
কেউবা এখন শুনছে বসে নীরবতার গান,কেউ হারালো সমস্ত সুরমধুর কলতান। হাজার কথা খুনসুটি আরকতক অভিমান, মুহূর্তে সব হারিয়ে গেল বিষন্নতার ঘ্রাণ।

কেউবা এখন শুনছে বসে নীরবতার গান,কেউ হারালো সমস্ত সুরমধুর কলতান। হাজার কথা খুনসুটি আরকতক অভিমান, মুহূর্তে সব হারিয়ে গেল বিষন্নতার ঘ্রাণ।

মন ডানাতে ভর করে আজ,
মেঘের দেশে দিলাম পাড়ি,
তাই বলে কি যায় গো বলা, মাটির সাথে আমার আড়ি।

বৃষ্টি আমার অনেক প্রিয়,
প্রিয় অনেক কিছুই,
বাতাসের ওই হালকা ছোঁয়া,
গন্ধ মাখা রঙিন ধোঁয়া,
লাল রঙা ওই পূবের আলো,

মিলের চেয়ে অমিল বেশি
কেউ কারো নয় চেনা,
কথার আগেই ঝগড়া শুরু
এমনই জ্ঞানার্জনা।

আমার অন্ধকার শহরে—-যখনই স্ট্রিট লাইট হয়ে জ্বলো,তখন গোলাপবাগ হয়ে যাই…শীত সরে গিয়ে বসন্ত আসে,মরুভুমি সেজে ওঠেআবিরের রঙে…পুষ্পবৃষ্টি হয় কোথাও কোথাও,কলমও

মনে মনে আমি কতবার গেছি,ছুঁয়েছি তোমার বুক,জানাতে তোমায় পারিনি বলে গোএকটুও পাইনি সুখ। প্রতিটি অঙ্গ জানে যে সেকথাজানোনা হয়তো তুমিশিকড়

বহুদিন ধরেই অন্ধকারের চাষ চলছে দিগন্ত জোড়া মাঠে…এলোমেলো ভাবনারা তাই আর বন্দী হতে চায়না–অক্ষরের নিরাপত্তায়।আঙুলের ফাঁক ধরতে চায়নিঅশৌচ কলম। কালো

ওরা—-কল-কারখানা মাঠে-ময়দানেখেটেছে সস্তা দামে,সভ্যতা তাই হয়েছে সভ্যওদের রক্ত-ঘামে। ওরা—-অধিকার খুঁজে পায় না আজওশোষনের যাঁতাকলে,স্তব্ধ হয়েছে ওদের মিছিল লাঠি আর পিস্তলে।

কবিতা এখন প্রেমিকা আমারপ্রেমিক তাহার প্রেমে,গভীরে তাহার রোজ ডুবে ডুবেহারিয়ে যাচ্ছি ক্রমে। রাতের আঁধারে রজনীগন্ধাদিনে সে সূর্যমুখী,সারা দিনমান লীলা খেলা

আমি কবিতা লিখতে বসি—ঘুমোতে যাবার আগে, ঘুম না আসার পরে,যেদিন বৃষ্টি পড়ে আর–যেদিন পড়ে না। কিন্তু, কী লিখবো? এই প্রশ্ন