
একাকিত্ব একটা ভয়
একাকিত্ব একটা ভয় , জীবনের অস্তিত্ব নিয়ে অনন্তের দিকে নিঃসাড় একা হাঁটার । যদিও এটাই পথচলার শুরু নয় ,অনেক পথ পেরিয়েছি এর আগে,

একাকিত্ব একটা ভয় , জীবনের অস্তিত্ব নিয়ে অনন্তের দিকে নিঃসাড় একা হাঁটার । যদিও এটাই পথচলার শুরু নয় ,অনেক পথ পেরিয়েছি এর আগে,

একটা, দুটো, দশটা কালো হাত, কেবল খোঁজে নরম ফুলের ঘ্রাণ। রক্তরাঙা টুকটুকে দুই চোখ, পশুর চেয়েও হিংস্র হাতের নখ।

দিব্যি লোকে লুটছে টাকা, পথের ধারে গলির মোড়ে, আমার পকেট দেদার ফাঁকা, হচ্ছে প্রবল ভাটার তোড়ে! দেশের টাকা লুটছে যারা. তারাই সমাজে রাষ্ট্র চালায় !

চায়ে চুমুক দিতে দিতে তিনি বৃষ্টি এবং বন্যার কথা বলতে বলতে স্হানীয় সমাচার ও চাষ আবাদের কথা শেষ করে চলে গেলেন কালিদাসে।

হারাধনের একটি ছেলে — ঘুরে পাড়া ময়, অঢেল টাকা হারাধনের — তাই একটাতে কী হয়! তাই তো হারুর দুইটি ছেলে হলো বছর বাদে, তিনটি ছেলের

বদলে গেছে সময় বদলায়নি হরবেলার বার্তা বরণ, বদলে গেছে মেঘ বৃষ্টির আসা যাওয়া, বদলায়নি চাঁদের মিষ্টি কিরণ।

অনেক দীর্ঘশ্বাস জড়ো হয়ে, তৈরি করেছে তমসার ভুবন, যার কোনো দিগন্ত নেই নক্ষত্রহীন আকাশে যার কোনো পূর্ণিমা নেই, নেই কোনো সূর্যসকাল আলো।

কাল রাতভর বৃষ্টি হয়েছে অবিরাম, ভিজে ডানা নিয়ে শালিক পাখিদের, খাবারের খোঁজে নেই বিরাম। জাম গাছের চিকন কচি পাতায় বিন্দু বিন্দু জল

যুদ্ধ থেমেছে আজ, সীমান্তের অক্লান্ত প্রহরীরও, আজ ঘরে ফেরার, উন্মত্ত তাড়না।

ছন্দ সুরে, ছন্দ গানে, ছন্দ মোদের জীবন দানে, ঝর্ণাধারাও ছন্দ জানে,ছন্দ মেলে পাখির গানে, প্রভাত হাওয়া ছন্দে ঘোরে ছন্দে প্রদীপ নিত্য দ্বোরে,