
গল্পকথা
ছারখার হয়ে যায় সিদ্ধান্তকুশল গন্তব্য, শরীরসন্দর্ভ জুড়ে বসে থাকে দিনের দহন, আর রাত্রির সন্তাপ। দাক্ষিণ্যের নাম নিয়ে ডাক দেয়, নির্বাক প্রত্যাখ্যান, আনুগত্যে বদলে যায় স্নায়বিক বিপুল বিতৃষ্ণা।

ছারখার হয়ে যায় সিদ্ধান্তকুশল গন্তব্য, শরীরসন্দর্ভ জুড়ে বসে থাকে দিনের দহন, আর রাত্রির সন্তাপ। দাক্ষিণ্যের নাম নিয়ে ডাক দেয়, নির্বাক প্রত্যাখ্যান, আনুগত্যে বদলে যায় স্নায়বিক বিপুল বিতৃষ্ণা।

তিথিডোরে বাঁধা ছিল প্রণয়-বিতান, চাঁদের আলোয় ছিল স্বর্গের সুষমা, হাতে হাত রাখা নীরব ভাষা এঁকেছিল, দীক্ষালব্ধ অদম্য পিপাসা।

মাটিতে নেমেছে ধ্বস, দেয়ালে কাঁপছে করাল ছায়া, বাসস্থান ঠাঁই খোঁজে পর্যুদস্ত বিকেলের মেঘে, সকালের মৌন শিকড়ে বৌদ্ধ সঙ্ঘ খুঁজে ফেরে, খেরোবাঁধা প্রাচীন লিপির ভিত।

তোমার দেখা পেলেই, ছায়াহীন মাঠ প্রসন্ন হয়ে ওঠে, সাত সমুদ্র কল্লোলিত হয়, অরণ্যে অরণ্যে পাখিদের সভা বসে।

ভালোবাসার সংরক্ষিত আসনের ভাষ্যকার আমি নই। তবু জানি আপাত-নিরীহ চারটি অক্ষরকত কথা কত কাহিনির কত পর্যটনের দ্যুতি ছড়িয়ে দেয় আঁধারমাণিক বিরহী গ্রামের পাঁজরে পাঁজরে।

শালফুলের গন্ধে ভেসে গেল আমার গার্হস্থ্য সন্ন্যাস। দায়িত্ববান নিয়মকানুন চুপিসাড়ে চলে গেল দৈবজ্ঞের হাতে।

অনেক দীর্ঘশ্বাস জড়ো হয়ে, তৈরি করেছে তমসার ভুবন, যার কোনো দিগন্ত নেই নক্ষত্রহীন আকাশে যার কোনো পূর্ণিমা নেই, নেই কোনো সূর্যসকাল আলো।

একরাশ ধুলোর ঘূর্ণি ঘুরপাক দিয়ে, তছনছ করে দিচ্ছে ঘর সংসারের প্রাত্যহিক ভাষা, ভেঙে দিচ্ছে সম্ভ্রমের ভালোবাসা, আর দৈনন্দিন নিরাপত্তা।

পায়ে পায়ে পথ চলা, তোমার সঙ্গে কথা বলা, ফুরোয় না ফুরোয় না একেবারেই । চলো যাই নীপবনে, আপনমনে প্রত্নলিপির আবক্ষস্নান