
ফাঁকা পকেটের সাথে
তোমাকে নাক,মুখ, চোখের নির্মাণ দিলাম
স্মৃতি দিলাম, প্রীতি দিলাম –
ভরপুর গতি দিলাম।
ভোর হাতে বাধা দিয়েছিল যারা –
সন্ধ্যার আগুনে তারা
চোয়াল শক্ত করে
ভালোবাসার কথা স্মরণ করেছে।
তোমার হাতের তালুর মধ্যে
সূর্যাস্তের কান্না –
ভেজা অশ্রুর আর্দ্রতা দেখে
বিশ্ব বিজয়ের যন্ত্রনা অনুভব করেছি।
ফকির করো হে ঈশ্বর –
প্রাণ খুলে দুটো কথা
কয়ে যাই।

তোমাকে নাক,মুখ, চোখের নির্মাণ দিলাম
স্মৃতি দিলাম, প্রীতি দিলাম –
ভরপুর গতি দিলাম।

অক্ষয় পুরুষের সাথে হাঁটা
পাশে যদি মৃত্যু র ঘর–
সেই হাত স্পর্শ বিধুর
এভাবে অমর হতে হয়—

পুরুত মশাইয়ের ভীষণ তাড়া। এমন সময় যজমানেরা তাকে চটিয়ে দিয়েছে। এত বড় একটা শ্রাদ্ধের পুজো, সেখানে কিনা পানই নেই। পইপই করে ফর্দ লেখার সময় ঠাকুর কেষ্টর ব্যাটদের কানে কামড়ে বলে দিয়েছিল এক গোছা পান না হলে চলবে না। বেটারা সে কথা কানেই দেয়নি।

যখন প্রদীপ জ্বালিয়ে ফিরি, তখন দেখা হয় না, এ শিখা কাঁপে কিনা, যখন ফুটপাতের ভীড় ঠেলি তখন শোনা হয় না, দশ টাকায় কগাছা বেলফুলের মালা বিকোচ্ছে।