
ফাঁকা পকেটের সাথে
তোমাকে নাক,মুখ, চোখের নির্মাণ দিলাম
স্মৃতি দিলাম, প্রীতি দিলাম –
ভরপুর গতি দিলাম।
এই রোদে কথা ছিল রোদ্দুর হতে-
আমাদের সব শিখা এক হতে পারেনি-
তোলা আছে চিলেকোঠা, তোলা আছে
স্বপ্নের হাতের গিটার
অন্ধকার কন্ঠস্বরে ভয় জাগে বলে
চিনে নিতে পেরেছি তোমাকে প্রিয় হাত–
তুমি আর ব’ক না আমায়–
বিছানার মতো করে কোল পেতে রাখো
চাইছি না এক্ষুনি তাড়া নেই কোনো–
ঘুম শুধু আরো ঘুম দিও।

তোমাকে নাক,মুখ, চোখের নির্মাণ দিলাম
স্মৃতি দিলাম, প্রীতি দিলাম –
ভরপুর গতি দিলাম।

অক্ষয় পুরুষের সাথে হাঁটা
পাশে যদি মৃত্যু র ঘর–
সেই হাত স্পর্শ বিধুর
এভাবে অমর হতে হয়—

পুরুত মশাইয়ের ভীষণ তাড়া। এমন সময় যজমানেরা তাকে চটিয়ে দিয়েছে। এত বড় একটা শ্রাদ্ধের পুজো, সেখানে কিনা পানই নেই। পইপই করে ফর্দ লেখার সময় ঠাকুর কেষ্টর ব্যাটদের কানে কামড়ে বলে দিয়েছিল এক গোছা পান না হলে চলবে না। বেটারা সে কথা কানেই দেয়নি।

যখন প্রদীপ জ্বালিয়ে ফিরি, তখন দেখা হয় না, এ শিখা কাঁপে কিনা, যখন ফুটপাতের ভীড় ঠেলি তখন শোনা হয় না, দশ টাকায় কগাছা বেলফুলের মালা বিকোচ্ছে।