
সেই নামটা ২
যার কথা অলস অবসরে মনে পড়লেই, কবিতার চরণগুলো আজও, সেজে ওঠে নিজের দায়িত্বে, একটা কাহিনিকে আঁকড়ে, শব্দগুলো ছন্দের বেড়ি পরেই
মনে মনে আমি কতবার গেছি,
ছুঁয়েছি তোমার বুক,
জানাতে তোমায় পারিনি বলে গো
একটুও পাইনি সুখ।
প্রতিটি অঙ্গ জানে যে সেকথা
জানোনা হয়তো তুমি
শিকড় হয়েছি খুঁজেছি গভীরে
একটু নরম ভূমি।
দুই বাহু ডোরে রোজ মনে মনে
জড়িয়ে তোমায় ধরি,
কী করে সে কথা বলি গো তোমায়
আমি লজ্জায় মরি।
কতবার আমি মথুরা ছেড়েছি
শুধু তোমারই টানে,
আমার মনের গোপন চিঠির
স্বরলিপি শুধু জানে।
সাগর হইয়া বুক পেতে আছি,
তবুতো হলে না নদী,
ঢেউ তুলে তুলে শুকাবো এবার
এবুকে না আসো যদি।।

যার কথা অলস অবসরে মনে পড়লেই, কবিতার চরণগুলো আজও, সেজে ওঠে নিজের দায়িত্বে, একটা কাহিনিকে আঁকড়ে, শব্দগুলো ছন্দের বেড়ি পরেই

সেই নামটা—–যাকে কেন্দ্র করে আমার ভাবনার কম্পাস আজও কল্পনার বৃত্ত আঁকে, প্রতিদিনের সাদা পাতায়। আমার অবসরের বারান্দাটা প্রশস্ত হয়

আমার অন্ধকার শহরে—-যখনই স্ট্রিট লাইট হয়ে জ্বলো,তখন গোলাপবাগ হয়ে যাই…শীত