
সেই নামটা ২
যার কথা অলস অবসরে মনে পড়লেই, কবিতার চরণগুলো আজও, সেজে ওঠে নিজের দায়িত্বে, একটা কাহিনিকে আঁকড়ে, শব্দগুলো ছন্দের বেড়ি পরেই
তোর দাদা ডাকে ছলাৎ করে ওঠে
আমার নীল সমুদ্রের গভীরে
ঝিনুকের পেটের মুক্তোগুলো।
শুভ্রতার দ্যুতি দিয়ে ঘিরে রাখতে চায়
জন্মান্তর-স্নেহের বেড়াজালে।
তোর দাদা ডাকে প্রদীপ জ্বলে ওঠে
ভ্রাতৃদ্বিতীয়ার রেকাবিতে,
ধান,দূর্বা চন্দন, শঙ্খধ্বনি আর
মিষ্টি মুখের আনন্দমুখরতায়
যুগ যুগ কৃষ্ণ হতে ইচ্ছে করে
তোকে সুভদ্রা ভেবে।
তোর দাদা ডাকে একতারা বেজে ওঠে
স্থাবর-অস্থাবর ছেড়ে বাউল কিংবা
হরিশচন্দ্র হতে ইচ্ছে করে।
ইচ্ছে করে স্নেহসূর্যের সব আলো উজাড় করে
হেমন্তের মাঠ হয়ে তোর গোলা ভরে দিই ।
তোর দাদা ডাকে কুলুকুলু ধ্বনি ওঠে
আমার শুভেচ্ছার নুড়ি,কাঁকর,পলি
বইতে থাকা দামোদরের বাঁকে বাঁকে।
আমি কল কল্লোলে অবিরাম এগিয়ে চলি
তোর গঙ্গাসাগরে আনন্দের লহরী তুলতে।
তোর দাদা ডাকে টংকার ধ্বনি ওঠে
অকালেও জেগে উঠতে ইচ্ছে করে
শুলীশম্ভুনিভ কুম্ভকর্ণের মতো।
জাতিস্মর হয়ে শুনতে পাই—-
তোর যমুনা কন্ঠের দাদা ডাক।
তাই পরজন্মেও যেন আমার কপালে
এঁকে দিতে পারিস চন্দনের রসকলি।।

যার কথা অলস অবসরে মনে পড়লেই, কবিতার চরণগুলো আজও, সেজে ওঠে নিজের দায়িত্বে, একটা কাহিনিকে আঁকড়ে, শব্দগুলো ছন্দের বেড়ি পরেই

সেই নামটা—–যাকে কেন্দ্র করে আমার ভাবনার কম্পাস আজও কল্পনার বৃত্ত আঁকে, প্রতিদিনের সাদা পাতায়। আমার অবসরের বারান্দাটা প্রশস্ত হয়

আমার অন্ধকার শহরে—-যখনই স্ট্রিট লাইট হয়ে জ্বলো,তখন গোলাপবাগ হয়ে যাই…শীত