
জাদুকরের মৃত্যু
আমার ছিল বাউল হওয়ার শখ,
আমার ছিল জাদু শেখার কথা,
আমার ছিল ঘুমিয়ে পড়ার মন,
নীল আকাশে জড়িয়ে নকশী কাঁথা
খ্রীষ্টাব্দ ষোলশো এগারো।
গ্যালিলিও দূরবীন দিয়ে দেখে বললেন,চাঁদ আসলে পৃথিবীর উপগ্রহ।
খ্রীষ্টাব্দ দুহাজার পঁচিশ।
চাঁদের মাটিতে কদিন আগে পা ফেলে দাঁড়ালো চন্দ্রযান।
সেই চাঁদ যে প্রদক্ষিণ করছে অনবরত আমাদের
আর সূর্য আছে কেন্দ্রস্থলে, আমরা সবাই পাক খাচ্ছি তাকেই ঘিরে।
আমি তো মূর্খ লোক অত শত বুঝিনা
আমরা ভক্তবৃন্দ শ্রীরাধিকারই দলে
অনন্ত পাক খাচ্ছি চাঁদ এর মতোই
কেন্দ্রমণি শ্রী কৃষ্ণ এর প্রেম সুধাটুকু পাবো বলে।

আমার ছিল বাউল হওয়ার শখ,
আমার ছিল জাদু শেখার কথা,
আমার ছিল ঘুমিয়ে পড়ার মন,
নীল আকাশে জড়িয়ে নকশী কাঁথা

হেমন্তের শস্যহীন ন্যাড়া মাঠ অপেক্ষায় থাকবে | বৃষ্টি জলে ধুয়ে কবিতার বীজ বপন করবে নবীন কবির দল | মুক্তক ছন্দে ভরে উঠবে খামার |

অবসন্ন বেলায় ঈশ্বরীর বাগানে, গা এলিয়ে পড়ে ছিল কামরাঙা রোদ, পোড়ো বাড়িটার উঠোন থেকে, উঠে এসে উড়নচণ্ডী হাওয়া দূরান্বয়ী ছায়া দিয়ে

আমি বসে আছি নিস্তরঙ্গ কলরবকূলে, মালতীলতায় এবার ফুল আসেনি, হাঁড়িতে মা ভবানী, উনুনে পুড়ছে অস্তিত্বের ব্যাকুলতা