
দ্বন্দ
যার সাথে ঘর বেঁধেছি আমি, মেয়েটি ঝগড়ুটে, আধখানা চাঁদ উধাও হলে, হলদে পলাশ ফোটে | যার সাথে ঘর বেঁধেছি আমি, মেয়েটি ঝগড়ুটে
হেমন্তের শস্যহীন ন্যাড়া মাঠ অপেক্ষায় থাকবে |
বৃষ্টি জলে ধুয়ে কবিতার বীজ বপন করবে নবীন কবির দল |
মুক্তক ছন্দে ভরে উঠবে খামার |
কিশোরী বিকেলের চোখে লেগে থাকবে অবিলতা |
তারপর অনূঢ়া রমণী সন্ধ্যা নক্ষত্রখচিত হয়ে
গান্ধর্ব মতে বিবাহ মন্ত্র উচ্চারণ করবে |
বিশ্বজয়ী আলেকজান্ডারের মতো চাঁদ
দাপিয়ে বেড়াবে হৈমন্তী আকাশে |
করতালি দিয়ে হো হো করে হেসে উঠবে বেনামী বনানী |
চোখের জল গঙ্গা হলে ফুলে ফুলে ভরে উঠবে পথ |
প্রাণসখা অনন্তে উড়ে যেও
ফিরে এসো শাঁখের আওয়াজে,
মোমের আলোয় আলোয় ভরিয়ে দেবো পাহাড়তলির দেশ |
কবি গেয়ে উঠবেন ‘বাইরে যখন হিমেল বাতাস ধান দুব্বা ঘাসে
লখাই তখন কলার ভেলায় গাঙ্গুড় নদে ভাসে|
পায়ের নূপুর চোখের জলে ঢেউয়ের উপর ঢেউ
চাঁদের এমন গ্রহণ লাগা আগে দেখেনি কেউ

যার সাথে ঘর বেঁধেছি আমি, মেয়েটি ঝগড়ুটে, আধখানা চাঁদ উধাও হলে, হলদে পলাশ ফোটে | যার সাথে ঘর বেঁধেছি আমি, মেয়েটি ঝগড়ুটে

ফেরিঘাটে চরকা কাটে, চন্দ্রপ্রভারাত। ঘরেরছেলে ঘরে ফেরেনি, দাঁতে কাটেনি ভাত। সাঁকোর উপর বসে আছে, একটা শালিক পাখি।

বাবার ট্যাক থেকে টুপ-টাপ খসে পড়েসংসারের নানান খুচরো।আমার গণিত জানা মা তা কুড়িয়ে রাখেন আঁচলের খুটে।আমি ভাবি সংসার বুঝি কাব্যকথা।মা বলেন – সংসার একটি গণিত

ঈশ্বর দেখিনি আমি |ঈশ্বর পূজেছি| মানুষ দেখেছি আমি |মানুষ পুজিনি |সেই পাপে বিবর্ণ হয়েছে মাটি| ছায়া ফিরে গেছে গাছে |একটি ছাতিম গাছএকা একা রবি ঠাকুরের