
সম্পাদকীয় : জি. কে. চেস্টারটনকে জন্মদিনে শ্রদ্ধা
আজকের দিনে জন্মেছিলেন ইংরেজি সাহিত্যের এক বর্ণময় চরিত্র—গিলবার্ট কিথ চেস্টারটন, যিনি ছিলেন একাধারে প্রাবন্ধিক, রম্যরচনাকার, ঔপন্যাসিক, কবি এবং ধারালো যুক্তিবিদ।
জন্ম: ২০ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৯
মৃত্যু: ১৮ জুন ,২০২৪
বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির ভুবনে আজ আমরা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি কবি ও ঔপন্যাসিক অসীম সাহাকে।
তিনি ছিলেন একজন ভাষাসংবেদী কবি, সংগীতপ্রেমী মানুষ এবং প্রজ্ঞাময় সাহিত্যস্রষ্টা—যিনি হৃদয়ের গভীরতম অনুভবকে শব্দে রূপ দিতে পারতেন সহজ অথচ অসাধারণ ভঙ্গিতে।
জন্ম ও জীবনপথ
অসীম সাহার জন্ম ২০ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৯ সালে, বাংলাদেশের নেত্রকোণায়। তবে তাঁর পারিবারিক শিকড় ছিল মাদারীপুর জেলায়।
শৈশব থেকেই তিনি বাংলা ভাষার প্রতি গভীর ভালোবাসা ও অনুভূতি লালন করতেন। তাঁর বেড়ে ওঠা ছিল বাংলাদেশের মাটির গন্ধে, সাধারণ মানুষের হাসি-কান্নায়, এবং সংগীতের ছন্দে।
এই অভিজ্ঞতাই পরবর্তী জীবনে তাঁর সাহিত্য ও সংস্কৃতিচিন্তার ভিত গড়ে দেয়।
সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অবদান
অসীম সাহার কবিতা ও গদ্যে ফুটে উঠেছে ভাষার সংগীতময়তা, জীবনের দৈনন্দিনতা, এবং মানবিকতার নিরব গভীরতা।
তাঁর লেখনীতে মেলে—
একদিকে মাটির গন্ধ, কৃষকের ঘাম
অন্যদিকে প্রেম, স্মৃতি, প্রতিবাদ আর আশা
তিনি শুধু কবি ছিলেন না, ছিলেন একজন সংস্কৃতিচর্চার সক্রিয় কণ্ঠস্বর। সাহিত্য, সঙ্গীত এবং লোকসংস্কৃতির আন্তরসঙ্গতিকে তিনি নিজের ভাষায় মূর্ত করে তুলেছিলেন।
পুরস্কার ও সম্মাননা
বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অসামান্য অবদানের জন্য অসীম সাহা পেয়েছেন—
২০১২ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার
২০১৯ সালে একুশে পদক — বাংলাদেশের অন্যতম সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান
এই পুরস্কারগুলো কেবল তাঁর অর্জন নয়, বাংলা সাহিত্যের জন্য এক অনন্য স্বীকৃতি।
সাহিত্যের মাটি ও হৃদয়
অসীম সাহার সাহিত্যচর্চা ছিল বিষয়ের নির্যাসে ভরপুর, ভাষায় গভীর এবং পাঠকের মনের দরজায় আলো ফেলার মতো।
তিনি বিশ্বাস করতেন—
“সাহিত্য যদি জীবনেরই প্রতিচ্ছবি হয়, তবে সেটি নির্ভর করবে মাটির টানে, মানুষের সুরে, এবং ভাষার সহজতায়।”
এ কারণে তাঁর কবিতা বা উপন্যাস পাঠ করতে গেলে পাঠক অনুভব করেন এক অন্তরঙ্গ আত্মার সংলাপ, যেখানে বিষাদ, প্রেম, প্রতিবাদ—সব একাকার হয়ে যায়।
মৃত্যু ও শূন্যতা
১৮ জুন ২০২৪, ঢাকায় তিনি প্রয়াত হন। বাংলা সাহিত্য হারাল এক মানবিক মননের কারিগরকে, যিনি নিঃশব্দে নির্মাণ করতেন অনুভবের শহর, ভালোবাসার কুঁড়েঘর।
তাঁর মৃত্যুতে সৃষ্টি হয়েছে এক নিরব, গভীর শূন্যতা—যা ভাষায় পূরণ হয় না, কেবল হৃদয়ে বয়ে চলে।
উপসংহার
আজকের দিনে, ১৮ জুন, আমরা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি অসীম সাহাকে।
যিনি ছিলেন মাটি থেকে উঠে আসা এক ভাষাবদ্ধ বিদ্যুৎ—প্রান্তিক মানুষের স্বপ্ন, আনন্দ, যন্ত্রণাকে যিনি কবিতার ছন্দে আর গদ্যের অনুরণনে রূপ দিয়েছেন।
চলো, আমরা বারবার ফিরে যাই তাঁর লেখায়—সেখানে হৃদয় জাগে, ভাষা বাঁচে, বাংলা নিজের মতো কথা বলে।

আজকের দিনে জন্মেছিলেন ইংরেজি সাহিত্যের এক বর্ণময় চরিত্র—গিলবার্ট কিথ চেস্টারটন, যিনি ছিলেন একাধারে প্রাবন্ধিক, রম্যরচনাকার, ঔপন্যাসিক, কবি এবং ধারালো যুক্তিবিদ।

আজকের এই সময়ে, যখন প্রশ্ন করা বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে, ভলতেয়ার আমাদের স্মরণ করিয়ে দেন—“স্বাধীন চিন্তাই সবচেয়ে বড় বিপ্লব।”

২০২৫ সালে ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ‘পদ্মশ্রী’তে ভূষিত হয়েছেন ব্রাজিলের বেদান্ত প্রচারক আচার্য জোনাস মাসেত্তি। এই স্বীকৃতি শুধু একজন ব্যক্তির অর্জন নয়—এটি ভারতীয় দর্শনের আন্তর্জাতিক প্রসারের এক উজ্জ্বল নিদর্শন।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দাদা সত্যেন্দ্রনাথ ছিলেন এক রুচিশীল ও বিদ্বান মানুষ। পশ্চিমী শিক্ষার প্রভাবে প্রতিপালন হলেও, তাঁর মনন ছিল গভীরভাবে দেশপ্রেমিক এবং সমাজ সচেতন।