
স্মৃতিরা নাড়া দেয়
বদলে গেছে সময় বদলায়নি হরবেলার বার্তা বরণ, বদলে গেছে মেঘ বৃষ্টির আসা যাওয়া, বদলায়নি চাঁদের মিষ্টি কিরণ।
প্রশ্ন একটাই আপনি কোন ধর্মের?
পৃথিবীতে এটাই কি পরিচয়?
যদি তাই হয়, তাহলে ছিঁড়ে ফেলো সব
ধর্মের পবিত্র গ্রন্থ খানি!
কি দরকার মিথ্যা ভাষণ দেওয়া ধর্মের নামে?
প্রকাশ্যে বলো আমরা ধর্ম খেকো দল!
কি দোষ করে ছিল সদ্য বিবাহিত জীবন দুটি?
একটু খুশির জন্য প্রকাশ্যে নিরিবিলেতে বসে
প্রকৃতির মধ্যে প্রকৃতির ছবি আঁকতে বসেছিল!
এক নিমিষে প্রাণটা নিয়ে নিলে!
শিশু থেকে শুরু করে কাউকে বাদ দাও নি!
এটাই কি লেখা আছে আপনার ধর্মে?
মানুষকে হত্যা করো ধর্ম জিজ্ঞাসা করে!
ধিক্কার জানাই সেই মানুষদের
যারা ধর্ম ধরে মানুষকে মারে!
যদি মারিতেই চাও তাহলে
আগে ভগবানকে-আল্লাহকে-ঈশ্বরকে মারো!
যারা জন্মের জন্য দায়ী!
আমার অপরাধ কি ধর্মটা?
না মানুষ রূপে জন্মানোটা!
ধর্মের জন্যই মৃত্যু মিছিল আজকের এই পৃথিবীতে।
এক ধর্ম আনন্দিত হয় অন্যের রক্তে হোলি খেলে।
এই হানাহানি পৃথিবীতে চলবে কতদিন!
ধ্বংস হবে ভূতলে ধর্মের গোঁড়ামি।
এখনো শান্তির দেবদূতও আছেন এই জগতে
তাদের হাত ধরে ফিরিবে সুদিন।
এই আশা নিয়ে বিশ্ব ভুবন স্বপ্ন দেখছে
মানুষ নিজেই মানুষ হবে সব ভেদাভেদ ভুলে।

বদলে গেছে সময় বদলায়নি হরবেলার বার্তা বরণ, বদলে গেছে মেঘ বৃষ্টির আসা যাওয়া, বদলায়নি চাঁদের মিষ্টি কিরণ।

স্মৃতির পাতায় আজও খোঁচা দেয় অতীতের আঁকড়ে থাকার মুহূর্তগুলো। ভোরে যে পাখির ডাকে ঘুম ভেঙে যেত এখন ডাকটি দূর আকাশে হারিয়ে গেছে।

জলাধারের সাথে কোনো তুলনা হয়না । তার সাথে আমার বহুকালের বন্ধুত্ব । আমার দুই দিকে আছে জন্ম জন্মান্তরের প্রেমসী । এ সম্পর্ক নাড়ী নক্ষত্রের সাথে খেল বন্ধন রয়েছে ।

একদিন হঠাৎ করে কালো মেঘ এল আকাশে চারিদিকে থমথমে পরিস্থিতি । তারি মাঝে মেঘের গুরুগম্ভীর ডাকে ভয়ে কম্পিত সারা শরীর বিদ্যুতের ঝলকানিতে চোখ বন্ধ ।