বৃষ্টি আমার অনেক প্রিয়,
প্রিয় অনেক কিছুই,
বাতাসের ওই হালকা ছোঁয়া,
গন্ধ মাখা রঙিন ধোঁয়া,
লাল রঙা ওই পূবের আলো,
মাঠের কোনে ঝড়ের ধুলো,
ঢেও মাখানো দীঘির জল
আর গাছের পাঁকা নানান ফল।
তপ্ত দুপুর চোখ ধাঁধানো,
উল্কা পাতে মন মাতানো,
জোৎস্না মাখা রাতের বেলা,
বেলি ফুলের গন্ধ ঢালা,
শাল পিয়ালীর ঝরা পাতা,
ভীষণ শীতের পলাশ ফুল,
ছোট্ট শিশুর হাস্য রব,
আর বদ্দী পাখির মুখের ঢক,
ভালো লাগে ঝর্ণা ধারা,
পাহাড় চূড়া, সাগর ঢেউ,
বন্ধুত্ব ও অনেক ভালো,
বন্ধু মানে নিজের কেও।

তোমাকে নাক,মুখ, চোখের নির্মাণ দিলাম
স্মৃতি দিলাম, প্রীতি দিলাম –
ভরপুর গতি দিলাম।

পাতাল থেকে উঠে আসছে, অন্ধকারের নারকীয় আবর্ত। আমার ঘরে এখন মৃতপ্রায় সকাল, অনিচ্ছুক সংলাপে লিখে যাচ্ছে দগ্ধ তরুর আলেখ্য।

পায়ে পায়ে পথ চলা, তোমার সঙ্গে কথা বলা, ফুরোয় না ফুরোয় না একেবারেই । চলো যাই নীপবনে, আপনমনে প্রত্নলিপির আবক্ষস্নান