মিলের চেয়ে অমিল বেশি
কেউ কারো নয় চেনা,
কথার আগেই ঝগড়া শুরু
এমনই জ্ঞানার্জনা।
দোষের বোঝা মাথায় চাপায়,
কারণ ছাড়াই যারা,
বলতে পারো এমন মানুষ
কোথায় আছে তারা?
কেউ চেনে না কেউ জানে না
বসত কোথায় আছে,
তবুও তাদের হচ্ছে কথা
সকাল দুপুর সাঁঝে।
অলস দুপুর ভরা বিকেল
কখন ফেলে পিছে,
কইছে কথা খেয়াল খুশি
দিনটি যে হয় মিছে।
ভুরি ভুরি কথার জেরে
শব্দ খোঁজা দায়,
তবুও তারা বলছে কথা,
এমন কেউ কোথায়?
বলতে পারো এমন মানুষ
কোথায় আছে ভাই?
বৃষ্টি ভেজা সুবাস গায়ে,
কথার মালা সাজায়।
কে বলে গো আসল নকল
চিনতে পারা দায়?
বিনি সুতোর মালায় গাঁথা,
বন্ধুর অভাব নাই।
নাইবা আমি খুঁজবো তাকে
খুঁজবে না তো সে ও,
বিশ্বাসেরই জয়ধ্বজায়
বন্ধু রয়ে যেও।
হেথায় হেথায় যেথায় দেখো
কেউ পাবে না খোঁজ।
তারা দুজন কইছে কথা
জানবে ঠিকই রোজ।

তোমাকে নাক,মুখ, চোখের নির্মাণ দিলাম
স্মৃতি দিলাম, প্রীতি দিলাম –
ভরপুর গতি দিলাম।

পাতাল থেকে উঠে আসছে, অন্ধকারের নারকীয় আবর্ত। আমার ঘরে এখন মৃতপ্রায় সকাল, অনিচ্ছুক সংলাপে লিখে যাচ্ছে দগ্ধ তরুর আলেখ্য।

পায়ে পায়ে পথ চলা, তোমার সঙ্গে কথা বলা, ফুরোয় না ফুরোয় না একেবারেই । চলো যাই নীপবনে, আপনমনে প্রত্নলিপির আবক্ষস্নান
One Response
ছন্দবদ্ধ শক্তিশালী লেখা। খুব ভালো লাগলো