
আবর্ত
পাতাল থেকে উঠে আসছে, অন্ধকারের নারকীয় আবর্ত। আমার ঘরে এখন মৃতপ্রায় সকাল, অনিচ্ছুক সংলাপে লিখে যাচ্ছে দগ্ধ তরুর আলেখ্য।
পাতাল থেকে উঠে আসছে
অন্ধকারের নারকীয় আবর্ত।
আমার ঘরে এখন মৃতপ্রায় সকাল
অনিচ্ছুক সংলাপে লিখে যাচ্ছে দগ্ধ তরুর আলেখ্য।
চোখ থেকে মুছে গেল দৃষ্টির নৈকট্য ।
দূরত্ব সুগম তাই ঝুটঝামেলা সামলানোর দায় নেই।
ঘূর্ণিবাতাস খেলা করছে চেনা মুখের
ছেঁদো কথা নিয়ে।
বিমূর্ত ভাবনার চিত্রকল্পে বসে আছে
দুয়ার বন্ধ রাখার মৌলিক কৌশল।
আমার চারপাশে ধাতব ধ্বনির অলৌকিক মহড়া নিয়ে
ছড়িয়ে আছে দূরত্বের লৌকিক পৃথিবী।
স্থিতিময় অস্তিত্বের উৎসমুখে
নেই কোনো সাংবাদিক প্রকরণ।
নিন্দায় মুখর হয় সামাজিক বাতাস
চায়ের টেবিলে পড়ে থাকে
মধ্যবিত্ত অবিশ্বাসের অসমাপ্ত কাহিনি
স্বনির্ভর ঠিকানায় কোনো আলো থাকে না।
কোথাও কি থমকে আছে
শ্রমসিক্ত মননের রেণু
যেমন করে থমকে থাকে বৈশাখের বৈকালী মেঘ?
নিরুপায় দিন প্রতিবাদহীন
শুধু ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে থাকে আবর্তের দিকে ।।

পাতাল থেকে উঠে আসছে, অন্ধকারের নারকীয় আবর্ত। আমার ঘরে এখন মৃতপ্রায় সকাল, অনিচ্ছুক সংলাপে লিখে যাচ্ছে দগ্ধ তরুর আলেখ্য।

পায়ে পায়ে পথ চলা, তোমার সঙ্গে কথা বলা, ফুরোয় না ফুরোয় না একেবারেই । চলো যাই নীপবনে, আপনমনে প্রত্নলিপির আবক্ষস্নান

একরাশ ধুলোর ঘূর্ণি ঘুরপাক দিয়ে, তছনছ করে দিচ্ছে ঘর সংসারের প্রাত্যহিক ভাষা, ভেঙে দিচ্ছে সম্ভ্রমের ভালোবাসা, আর দৈনন্দিন নিরাপত্তা।