
আবর্ত
পাতাল থেকে উঠে আসছে, অন্ধকারের নারকীয় আবর্ত। আমার ঘরে এখন মৃতপ্রায় সকাল, অনিচ্ছুক সংলাপে লিখে যাচ্ছে দগ্ধ তরুর আলেখ্য।
পায়ে পায়ে পথ চলা
তোমার সঙ্গে কথা বলা
ফুরোয় না ফুরোয় না একেবারেই ।
চলো যাই নীপবনে
আপনমনে প্রত্নলিপির আবক্ষস্নান
রত্নগিরির ধূলিমোচন
স্বেচ্ছাময় জ্যোৎস্নাবিহার
গোপন মনের কুসুমগন্ধে জেগে ওঠা ভেসে ওঠা
স্বর্ণরেণুর ভস্ম হওয়ার ইচ্ছে প্রবল।
অহোরাত্র রক্তক্ষরণ
আঁধার-বুকে শয্যা পেতে
তীর্থপথের স্বপ্নচয়ন
ছেঁড়া কাপড় উত্তরীয়ে ভেজা মাটি
তবুও চায় জ্যোৎস্নারাতে পুনর্নব অঙ্গভূষণ।
চলো যাই
দেখে আসি নীপবনে কুসুমশয়ন
নীবিবন্ধে লিখে দিও
দীর্ঘমেয়াদী ভালোবাসার
আজ নব জন্মদিন।।

পাতাল থেকে উঠে আসছে, অন্ধকারের নারকীয় আবর্ত। আমার ঘরে এখন মৃতপ্রায় সকাল, অনিচ্ছুক সংলাপে লিখে যাচ্ছে দগ্ধ তরুর আলেখ্য।

পায়ে পায়ে পথ চলা, তোমার সঙ্গে কথা বলা, ফুরোয় না ফুরোয় না একেবারেই । চলো যাই নীপবনে, আপনমনে প্রত্নলিপির আবক্ষস্নান

একরাশ ধুলোর ঘূর্ণি ঘুরপাক দিয়ে, তছনছ করে দিচ্ছে ঘর সংসারের প্রাত্যহিক ভাষা, ভেঙে দিচ্ছে সম্ভ্রমের ভালোবাসা, আর দৈনন্দিন নিরাপত্তা।