হারিয়ে যাওয়া আলো যখন
মেঘের ফাটল মুগ্ধ করে,
বিদীর্ণ সেই মেঘ মাঝারে
তীক্ষ্ণ আলোর রৌদ্র ঝরে।
রৌদ্র মাঠে পাঠ শুকোনো
রক্ত সম ঘামের ঝরা,
সমস্ত দিন রৌদ্রে পোড়া
চাষীর জঠর ক্ষুধায় ভরা।
তক্তপোষে মালিক বসে
হিমঘরে সে ব্যস্ত থাকে,
ঘাম ঝরানো চাষীর ফসল
স্বল্প দরের দুর্বিপাকে।
চাষীর পেটে বেজায় খিদে,
পাট বিকোলে অন্ন জুটে,
স্বল্প দর – ই নাইবা হলো
দু-মুঠো তো অন্ন পেল।
ক্ষুধার জ্বালায় পাটের পসার
স্বল্প দরে বিকোয় যে তার,
যেটুকু হয় টাকার জোগাড়
ফুরোলো তার সংসারে যার।
ফসল বোনার সময় এলো
সুদখোরেরা সুযোগ নিল।
চাষির ঘরে টাকার অভাব
চরা সুদে ঋণ যে পেল।
চাষির ঘরে নবীন অভাব!
আধপেটা রয় এ কি স্বভাব?
চাষির ঘরে প্রদীপ জ্বালো,
ক্ষুধার গৃহে আসুক আলো।।

বৃষ্টি আমার অনেক প্রিয়,
প্রিয় অনেক কিছুই,
বাতাসের ওই হালকা ছোঁয়া,
গন্ধ মাখা রঙিন ধোঁয়া,
লাল রঙা ওই পূবের আলো,

মন ডানাতে ভর করে আজ,
মেঘের দেশে দিলাম পাড়ি,
তাই বলে কি যায় গো বলা, মাটির সাথে আমার আড়ি।

কেউবা এখন শুনছে বসে নীরবতার গান,কেউ হারালো সমস্ত সুরমধুর কলতান। হাজার কথা খুনসুটি আরকতক অভিমান, মুহূর্তে সব হারিয়ে গেল বিষন্নতার ঘ্রাণ।