তপ্ত বালুকারাশির মতো জ্বলন্ত হৃদয়।
শুধুই হাহাকার, নেই কোনও শান্তির লেশ।
অজস্র অশ্রুবিন্দু ঝরে যায় নিদারুণ উপেক্ষায়—
কেউ রাখে না তার মান।
একলা হৃদয়, বিরহের ভারে ভারাক্রান্ত।
কোথা থেকে যেন এক মুঠো যন্ত্রণা
শিশি থেকে ঢেলে দেওয়া ওষুধের মতো—
চাইলেও হয় না তার উপশম।
মনের আর্তনাদে বিদীর্ণ হৃদয়
মারাত্মক চিৎকারে হালকা হতে চায়,
কিন্তু পারছে কোথায়?
চেষ্টার নেই কোনও উত্তর।
নিরাশায় ভরা চারপাশ, আক্রান্ত বিবেক।
চোখ থাকতেও চোখ নেই—
শুধুই গ্লানি, তুচ্ছতা, অপমান রাশি রাশি।
আর একরাশ নীরব হাহাকার।
এর থেকে চাই মুক্তি, চাই শান্তি, চাই আনন্দ।
বুক ভরা কান্নার জলে ভেসে যাক দূরদুরন্ত।
বজ্রের মতো আঘাত হানুক সেই নির্দয় হৃদয়ে,
যে অজস্র যন্ত্রণায় কলুষিত করেছে মন।
নিপাত যাক সেই দহন,
আসুক শান্তি, আসুক মুক্তি, আসুক আনন্দ।
যারা ভাবে আমরাই সেরা—
তারা জানে না বিদীর্ণ হৃদয়ের ভঙ্গুর চেহারা কতটা ভয়ঙ্কর।
যারা মানবিকতার বিসর্জন দেয় মুহুর্মুহু—
তারা বোঝে না তাদের পরিণতির ভয়াবহতা।
অবহেলায় ত্যাজ্য হৃদয়,
অবহেলিত থাকে না শুধু ক্ষণকাল,
সময়ের নিয়মে ফিরে আসে ব্যথার ধারায়।
শেষে ক্ষমার আঁচড়ে ঝলসে যাবে সেই নির্দয় প্রাণ।
তার হাহাকার হয়তো শুনবে কেউ—
তবু নিজেকে ক্ষমা করা হবে অসম্ভব।
নিজের কাছ থেকেই মিলবে না মুক্তি।
বারবার আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে চমকে উঠবে সে,
আপাদমস্তক মনে পড়বে—
“আমিই সেই তুচ্ছ, উদ্ধত, কলুষিত এক অবয়ব!”
চাই শান্তি,
চাই মুক্তি,
চাই আনন্দ।

বৃষ্টি আমার অনেক প্রিয়,
প্রিয় অনেক কিছুই,
বাতাসের ওই হালকা ছোঁয়া,
গন্ধ মাখা রঙিন ধোঁয়া,
লাল রঙা ওই পূবের আলো,

মন ডানাতে ভর করে আজ,
মেঘের দেশে দিলাম পাড়ি,
তাই বলে কি যায় গো বলা, মাটির সাথে আমার আড়ি।

কেউবা এখন শুনছে বসে নীরবতার গান,কেউ হারালো সমস্ত সুরমধুর কলতান। হাজার কথা খুনসুটি আরকতক অভিমান, মুহূর্তে সব হারিয়ে গেল বিষন্নতার ঘ্রাণ।